Saturday , September 25 2021
Home / লাইফ-স্টাইল / বাড়িতে বসেই ফোনের মাধ্যমে ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করার স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি

বাড়িতে বসেই ফোনের মাধ্যমে ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করার স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি

রাজ্যজুড়ে এখন লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে প্রতিটি জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই জনহিতকর প্রকল্পের রীতিমতো খুশি হয়েছে রাজ্যে সকল মহিলারা কারণ এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজে পিছিয়ে পড়া মহিলারা সামনের সারিতে উঠে আসবে

তাদের হাত খরচের জন্য রাজ্য সরকার এবার থেকে প্রতিমাসে অনুদান দেবে কিন্তু প্রশ্ন থাকছেই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দরকার যাদের নেই তারা কি আবেদন করতে পারবে না সমস্ত কিছু জানাবো এই ভিডিও এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে।রাজ্যজুড়ে এই প্রকল্প চালু

হওয়াতে মহিলারা সামনের সারিতে উঠে আসবে এমন তো অনুমান করা হচ্ছে আগে থেকেই তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথ্য
অনুসারে এমনটা জানা যাচ্ছে যে গোটা রাজ্য জুড়ে মোট ১ কোটি ৬৯ লাখ মহিলারা সংযুক্ত হবে এই প্রকল্পের আওতায় সরাসরিভাবে । তার

পাশাপাশি এই প্রকল্পের জন্য বছরে ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ।এই প্রকল্প আগামী দিনের আলো দেখাবে বলে মনে করছেন অনেকে । নবান্ন ঐদিন হওয়া বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে যে আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে দুয়ারে সরকার কেন্দ্র সরকার ক্যাম্পে গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিলেই নাম নথিভুক্ত করা যাবে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে। এবং এর জন্য

বিশেষ কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই । তার যেসব মহিলারা পাবেন ।তবে সাধারণ বা জেনারেল কাস্ট মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রতিমাসে এবং অন্যান্য জাতির জন্য হাজার টাকা করে প্রতিমাসে অনুদান দেবে রাজ্য সরকার । ৬০ বছর পর্যন্ত যে কেউ আবেদন করতে পারবেন এই প্রকল্পে। ১ সেপ্টেম্বর থেকেই টাকা দেওয়া হবে। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত সব মহিলাই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। তার

পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড অবশ্যই থাকা বাঞ্ছনীয় কিন্তু যাদের নেই তারা কি আবেদন করতে পারবে না সে ব্যাপারে থাকছে অনেকগুলো প্রশ্ন অবশ্যই আবেদন করতে পারবে কিন্তু তার জন্য আপনাকে একটি আবেদনপত্র লিখতে হবে । একদম ঠিক শুনেছেন আর যাদের স্বাস্থ্য সাথী নেই তাদেরকে একটি আবেদনপত্র লিখতে হবে। সে আবেদনপত্র ঠিকানা হবে সম্পূর্ণ নবান্ন ঠিকানা

তারপর বিষয়বস্তু হিসেবে আপনার আর্থিক অবস্থা এবং কি কারণে জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এখনও পর্যন্ত হয়নি তা উল্লেখ করতে হবে তারপরেই আবেদনপত্রটি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প আবেদন পত্র সাথে যুক্ত করে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে প্রদান করতে হবে ।এর পাশাপাশি আবেদনপত্রটি দেখলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন খুব সহজে আবেদনপত্র আপনি ফিলাপ করতে পারবেন সেখানে নিজের নাম নিজের বাবার নাম ঠিকানা

ফোন নাম্বার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর নাম্বার রেশন কার্ডের নাম্বার ইত্যাদি সঠিক মাত্রায় প্রদান করে সরকারকে প্রদান করিলেই পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে আপনার একাউন্টে টাকা ঢুকবে ।

Check Also

ঘরে বসে অনলাইনে এক নিমেষেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স হতে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন! রইলো পদ্ধতি

ঘরে বসে অনলাইনে এক নিমেষেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স হতে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন! রইলো পদ্ধতি

ঘরে বসে অনলাইনে এক নিমেষেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স হতে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন!- করোনা আসার পর মানুষের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *