Monday , April 19 2021
Home / সংবাদ / ৫০ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি, প্রে’মিকার চিঠি ও ছবি পকেটে নিয়ে পার করছেন জীবন

৫০ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি, প্রে’মিকার চিঠি ও ছবি পকেটে নিয়ে পার করছেন জীবন

৫০ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি, প্রে’মিকার চিঠি ও ছবি পকেটে নিয়ে পার করছেন জীবন – প্রতিটি সার্থক প্রে’মের কবিতা বলতে বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্যর্থ প্রে’মের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে বিয়ে করেছে। নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা

তানেসউদ্দিন আহমেদ ৭৫ বছর বয়সী মানুষটি এখনো ঝকঝকে তরুণ।কমলারঙের জামা’র বুকপকেট থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে তানেসউদ্দিন। হেসে বললেন, ‘ওর নাম জোহরা।’ ১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি। যু’দ্ধ শেষে স্বাধীন

দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর। ৫০ বছর ধরে প্রে’মিকার ছবি বুকপকে’টে নিয়ে বেঁচে আছেন তানেসউদ্দিন। তবে বিয়ে করেননি তিনি। ছবির মধ্যেই তিনি প্রয়াত জোহরাকে খুঁজে পান।১৯৬৭ সালে ঢাকার বোম্বে স্টুডিও থেকে জোহরার

সাদাকালো ছবিটি তোলা। সেই থেকে ছবিটি তানেসউদ্দিনের পকে’টে।১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি। যু’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর।

ক্ষুব্ধ শ্রীলেখা – টলিপাড়ায় কিছুদিন পর পর যারা খবরের শিরোনাম হন তাদের মধ্যে অন্যতম অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কারণে কয়েকদিন পরপরই খবরের শিরোনাম হন তিনি।এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বজরং দল’-এর নামে একটি পোস্টার শেয়ার করে ফেসবুকে ক্ষোভ ঝেড়েছেন এই অভিনেত্রী। যে পোস্টার শ্রীলেখা শেয়ার করেছেন তাতে ‘সতর্কীকরণ’ হিসেবে লেখা

রয়েছে, ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’র উৎসব ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী। সুতরাং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে ওই দিন খোলা জায়গায় কোনো যুগল যেন দৃষ্টিতে না আসে। দৃষ্টিকটূ অবস্থায় না দেখা যায়। এরকম ঘটনায় তাদের বাবা-মায়ের সাথে আলোচনা বা প্রয়োজনে বিবাহের ব্যবস্থা করা হবে।’এরপর আগামী নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার কথা লিখে ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ব্যভিচারে’র বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা লেখা হয়। সতর্কবার্তার বিভিন্ন জায়গায় ‘জয় শ্রী রাম’ লেখা হয়েছে।এই

পোস্টার মঙ্গলবার শেয়ার করে ক্যাপশনে শ্রীলেখা মিত্র লিখেছেন, ‘আমি কী লিখব বুঝতে পারছি না। ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, এদের মানুষের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত। একবারও লজ্জা লাগে না এই ধরনের কাজ করতে? এখনো ক্ষমতাতে আসনি তাতেই এই? এখনো রাজ্যবাসীর চোখ খুলবে না? জেগে উঠুন, এখন নয়তো কখন? ‘সতীদাহ’র নামে বিধবা তরুণীদের জ্বালিয়ে দিলেও অবাক হব না।’

About Moni Sen

Check Also

এক কন্যা সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির তিন বাবা!

এক কন্যা সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির তিন বাবা!

এক কন্যা সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির তিন বাবা! – জন্মের পর সদ্যোজাত শিশুকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x