Home / সংবাদ / ৩ দিনের সদ্যজাত শিশুকে ডাস্টবিন হতে তুলে বাঁচাল ক্ষুধার্ত কুকুর !

৩ দিনের সদ্যজাত শিশুকে ডাস্টবিন হতে তুলে বাঁচাল ক্ষুধার্ত কুকুর !

বর্তমান সমাজের মানুষের মত মানুষ মানুষকে ঠকাতে পারে, খারাপ ব্যবহার করতে পারে, বিশ্বাসঘাতকাতা করতে পারে। কিন্তু কুকুরের বিশ্বাসের স্থান দখল করতে এখনও অনেক দেড়ি আছে। তবে কুকুর কিন্তু মাত্র কয়েক সেকেন্ডে বিশ্বাস অর্জন করতে পারে। একজন মানুষের বিশ্বাসী বন্ধু বলে একমাত্র কুকুর অন্যতম।

এই অবলা প্রাণীটি মানুষের অনেক প্রাণ বাঁচিয়েছে বলে আমাদের। তবে এবারের এই ঘটনা জানলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। খবরটি জানলে আপনি সময় নিয়ে কুকুর পোষার বিষয়টি গভীর মনোযোগসহকারে ভাবতে থাকবেন। কেননা কুকুর হিংস্র প্রাণী হলেও উপকারি প্রাণী।

সম্প্রতি ওমানের রাস্তায় খবারের সন্ধানে নেমেছে একটি কুকুর। যখন খাবারের খোঁজে ডাস্টবিনের চারপাশে ঘুরছিল এই কুকুরটি তখন অচমকা কুকুরটি খুঁজে পায় ৩ দিন বয়সী এক সদ্যজাত শিশু ডাস্টবিনে পড়ে রয়েছে। শিশুটির নাড়ি কাটা ছিল না। কুকুরটি প্রচণ্ড ক্ষধার্ত থাকা সত্তে শিশুটিকে নিজের খাবারে পরিণত না করে শিশুটিকে মুখে আলতো করে তুলে বেড়িয়ে পড়ে ডাস্টবিন হতে।

কুকুরটি যদিও মানুষ নয় তবুও সে বুঝতে পারে ব্যাপারটি মোটেও সুবিধার নয়। শিশুটির তখনও শ্বাস প্রশ্বাস চলছিল, এই ভেবে মুখে তুলে নেওয়া শিশুটিকে একটি বাড়ির দরজার সামনে গিয়ে রেখে প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকে। কুকুরের চিৎকার শুনে বাড়ির মালিক দরজা খুলে দেখেতে পান সদ্যজাত একটি শিশু। বাড়ির মালিক শিশুটিকে পরম যত্নে কোলে তুলে নিয়ে সেবা যত্ন করতে শুরু করে।

মুমুর্ষ শিশুটিকে পূর্ণজন্ম দেওয়া কুকুরটি আবারও খাবারের খোঁজে বেড়িয়ে পড়ে। কুকুরটি নিজে ক্ষুধার্ত হলেও সে শিশুটির শরীরে কো প্রকার আঁচর দেনটি। কুকুরের এমন উদার মানসিকাতা বারবার পাাওয়া যায়। এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করে দিল যে, মানুষের পরম বন্ধু কুকুর।

এই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ার হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। কুনির্শ জানিয়েছেন নেটিজেনরা। এমন খবর আগে হয়ত কোথাওয়া পাওযা যায়নি। এই ঘটানাটি বেশ আলোড়ল সৃষ্টি করেছে ওমানে।

About By Moni Sen

Check Also

জমি চাষ করতে গিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের হীরে কুড়িয়ে পেলেন এই কৃষক!

জমি চাষ করতে গিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের হীরে কুড়িয়ে পেলেন এই কৃষক- ৬০ লক্ষ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x