Friday , June 25 2021
Home / উদ্যেক্তা / হরিণ এক লাফে ২৩ হাত যায় আর বাঘ ২২ হাত তবুও হরিণটি বাঘের শি’কারে প’রিণত হয় কেন!

হরিণ এক লাফে ২৩ হাত যায় আর বাঘ ২২ হাত তবুও হরিণটি বাঘের শি’কারে প’রিণত হয় কেন!

হরিণ এক লাফে ২৩ হাত যায় আর বাঘ ২২ হাত তবুও- হরিণ এক লাফে ২৩ হাত যায় আর বাঘ ২২ হাত তবুও হরিণটি বাঘের শি’কারে

প’রিণত হয় কেন জা’নেন?কারণ হরিণটি ছুটবার সময় বার বার পিছনে তাকিয়ে দেখে বাঘটি পিছনে আছে কিনা, যার ফলে তার গতি কমে যায়। কিন্তু বাঘটি অ’বিরাম তার সামনের শি’কার ধ’রার জন্য ছুটতে থাকে।এইতো আরেকটু গেলেই হরিণটাকে ধ’রে ফেলবো। যার ফলে তার

গতি আরো বেড়ে যায়। এভাবেই একটা সময় বাঘটা তার লক্ষ্যে পৌঁছে হরিণটিকে শি’কার করে ফে’লে। ঠিক তেমনি আপনার জীবনের ল’ক্ষ্যে পৌঁ’ছানোর সময় অনেক বাঁ’ধা আসতে পারে। কিন্তু পেছন ফেরে না তা’কিয়ে সামনের লক্ষ্যের দিকে এ’গিয়ে যাবেন। সাফল্য আপনার আ’সবেই।

ওষুধ ছাড়াই পেট থেকে গ্যাস দূর করার সহজ উপায়
শসা:শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়। দই:দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাসহওয়ার ঝামেলা দূর হয়

পেঁপে:পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।কলা ও কমলা:কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে।সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।আদা:আদা সব চাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে

লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।ঠাণ্ডা দুধ:পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।দারুচিনি:হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে। জিরা:জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে

অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে।দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।লবঙ্গ:২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।এলাচ:লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে।পুদিনা পাতার পানি:এক কাপ পানিতে ৫টা

পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।মৌরির পানি:মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন:সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি।জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

About Moni Sen

Check Also

এভাবে কাঁঠাল গাছের যত্ন করলে ফলন হবে প্রচুর, কীভাবে গাছ রোপন করবেন, যেভাবে যত্ন নিবেন রইল পুরো পদ্ধতি..

এভাবে কাঁঠাল গাছের যত্ন করলে ফলন হবে প্রচুর, কীভাবে গাছ রোপন করবেন, যেভাবে যত্ন নিবেন রইল পুরো পদ্ধতি..

এভাবে কাঁঠাল গাছের যত্ন করলে ফলন হবে প্রচুর, কীভাবে গাছ রোপন করবেন, যেভাবে যত্ন নিবেন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *