Sunday , June 13 2021
Home / স্বাস্থ্য / শীতকালে গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে, এই সমস্যাগুলি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে..

শীতকালে গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে, এই সমস্যাগুলি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে..

শীতকালে গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে, এই সমস্যাগুলি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে.. – ধরণের শুকনো ফল, যা লাড্ডাস, খির বা অন্যান্য ধরণের খাবারে ব্যবহৃত হয়। চুহার খেতে সুস্বাদু তবে এর উপকারিতাও আশ্চ’র্যজ’নক শীতে দুধের সা’থে এটি খেলে উপকার দ্বিগুণ

হয়। আসলে, ভিটামিন-এ এবং বি স’মৃদ্ধ খেজুর বহু রো’গের বি’রুদ্ধে লড়াইয়ে স’হায়ক প্রমাণ করে। শীতে গরম দুধের সা’থে খেজুর খেলে কী কী উপকার হয়, আসুন জেনে নিই গরম দুধের সা’থে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা : খেজুর গরম দুধের সা’থে মিশিয়ে খেলে তা দে’হে

শ’ক্তি জোগায়। ডায়াবেটিসেও খেজুরকে উপকারী মনে করা হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্য’ক্তিদের দিনে অ’ন্তত একবার খেজুর খেতে হবে। এটি করে আ’পনি 6 মা’সের মধ্যে স্ব’স্তি পাবেন। খেজুরের একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি রয়েছে, যা থেকে কোনও ক্ষ’তি হয় না। 1. হাঁপানি থেকে

মুক্তি: দু’টি থেকে চারটি খেজুরের আ’গাছা খেজুরের কার্নেলগু’লি বের করে দুধে সিদ্ধ করুন। এর প’রে খেজুর খাবেন এবং দুধ পান করুন। এটি ধীরে ধীরে শ্লেষ্মা সরিয়ে দেয়, যা হাঁপানিতে স্ব’স্তি দেয়। আসলে, খেজুরের তারিখটি উষ্ণ, যাতে ফুসফুস এবং হার্টে’র উপকার হয়। 2. ঘন ঘন প্রস্রাবের স’মস্যা থেকে স্রাব: কথিত আ’ছে যে তিনটি খেজুর 300 গ্রাম দুধে সিদ্ধ করে তার প’রে খেজুর খেয়ে দুধ পান করলে ঘন

ঘন প্রস্রাবের স’মস্যাও চ’লে যায়। একই সা’থে, কিছু বাচ্চাদের রা’তে বি’ছানায় প্রস্রাব করার অ’ভ্যাস রয়েছে। এমন প’রিস্থিতিতে যদি আ’পনার স’ন্তা’নেরও এই স’মস্যা থাকে তবে তাকে প্র’তিদিন দু’টি খেজুর খাওয়ান বা রা’তে ঘুমা’নোর স’ময় দুধ খাওয়ানো দুধ দিন।

কিছুদিনের মধ্যে বি’ছানায় প্রস্রাবের স’মস্যা থেকে মুক্তি মি’লবে। 3. মা’সিক ত্রাণ: ম’হিলাদের প্র’তি মা’সে মা’সিক ব্যথা ভোগ করতে হয়। ম’হিলাদের পেটে ব্যথা, পিঠে ব্যথা পাশাপাশি পায়ের আঁচিল হয়। এমন প’রিস্থিতিতে নিয়মিত গরম দুধের সা’থে খেজুর খেলে উপশম হয়। 4. কোষ্ঠকা’ঠিন্য দূর করে:দুই থেকে চার তারিখের খেজুর নিন এবং এটি গরুর দুধে সিদ্ধ করে খান। চিনি মিশ্রিত করুন এবং যে দুধ

অবশিষ্ট রয়েছে তা পান করুন। আ’পনি যদি প্র’তিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় এটি গ্রহণ করেন তবে মাড়ি থেকে র’ক্তপাতের স’মস্যাটি শেষ হয়ে যাবে। শুধু এটিই নয়, আ’পনি যদি কো’ষ্ঠকা’ঠিন্যের স’মস্যা থেকে স’মস্যায় পড়ে থাকেন এবং এটি আ’পনার প্র’তিদিনের কাজে বাধা

হয়ে উঠছে, তবে আ’পনার প্র’তিদিন তিনটি খেজুর সকালে এবং সন্ধ্যায় খাওয়া উ’চিত এবং খাওয়ার প’রে গরম জল খাওয়া উ’চিত। এটি করে আ’পনি কো’ষ্ঠকা’ঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন।।

About Moni Sen

Check Also

৫ টি ঘরোয়া উপায়ে দাঁতের কালচে-হলদেটে ভাব দূর করার পদ্ধতি

৫ টি ঘরোয়া উপায়ে দাঁতের কালচে-হলদেটে ভাব দূর করার পদ্ধতি

৫ টি ঘরোয়া উপায়ে দাঁতের কালচে-হলদেটে ভাব দূর করার পদ্ধতি- আমরা প্রায় সবাই দাঁতের কালচে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *