Home / লাইফ-স্টাইল / যে ৭টি কারণে আ’য়ু কমে

যে ৭টি কারণে আ’য়ু কমে

যেসব বাজে অভ্যাসের কারণে আয়ু কমে যায় – পৃথিবী ছেড়ে কেউই যেতে চায় না। সবাই বেঁচে থাকতে চায়। তবে এর জন্যে প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা সাধারণত চোখ এড়িয়ে যায়। যেগুলো আমাদের অজান্তেই আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। সেগুলো জানা

থাকলে হয়ত আয়ু সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। আর সেগুলো থেকে বিরত থাকলে নিজের আয়ু কিছুটা হলেও বাড়ানো যেতে পারে। আসুন কারণগুলো জেনে যাক :-

১. একা থাকা : অনেকেই একা থাকতে পছন্দ করেন। মনে করেন এতে করে চাপ এড়ানো যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, একা থাকা মানে জীবনের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বঞ্চিত হওয়া। যা আয়ু কমাতে পারে। দিনে ১৫টি সিগারেট খেলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয়, পর্যাপ্ত সামাজিক যোগাযোগ না করলেও সেরকম ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী জুলিয়ান হোল্ট-লুনস্টাড।

২. যৌ’নসম্পর্ক : ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের আরেকটি গবেষণায় জানা যায়, যেসব পুরুষ মাসে কমপক্ষে একবারও যৌ’নসম্পর্কে লিপ্ত হননি তাদের মারা যাওয়ার আশঙ্কা, যারা সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌ’নসম্পর্ক করেছেন, তাদের চেয়ে দ্বিগুণ। এদিকে ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষণা বলছে, যেসব নারীর আনন্দময় যৌনজীবন রয়েছে তারা অন্যদের চেয়ে প্রায় আট বছর বেশি বাঁচেন। কাজেই সুস্থ, সুন্দর জীবনের জন্য নিয়মিত যৌ’নসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বৈকি!

৩. টিভি দেখা : ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, ২৫ বছরের বেশি বয়সীরা এক ঘণ্টা টিভি, ডিভিডি বা ভিডিও দেখলে তাদের জীবনের আয়ু প্রায় ২২ মিনিট কমে যেতে পারে। সে হিসেবে কেউ যদি ধারাবাহিকভাবে দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টা করে টিভি দেখেন, তাহলে তার জীবন থেকে পাঁচটি বছর চলে যেতে পারে।

৪. বসে থাকা : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, দিনে গড়ে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় বসে থাকা মানে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। কাজেই আর বসে থাকা নয়, শারীরিক পরিশ্রম করুন, সুস্থ থাকুন!

৫.বেকারত্ব : ক্যানাডার গবেষকরা বলছেন, একজন মানুষ বেকার থাকা মানে তার অকাল মৃত্যুর সম্ভাবনা ৬৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। ১৫টি দেশের প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষের ৪০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা।
৬. ঘুমানো : আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমানো ঠিক নয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ধারাবাহিকভাবে এত সময় ধরে ঘুমানো স্বাস্থ্যকর নয়। সর্বোচ্চ সাত ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

৭.অতিরিক্ত ব্যায়াম : ব্যায়াম করা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু সেটা বেশি হয়ে গেলেই বিপদ। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ব্যায়াম করা উচিত।

About By Moni Sen

Check Also

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন.. রইল আসল নোট চেনার উপায়

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন.. রইল আসল নোট চেনার উপায় – ২০১৮ তে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x