Home / সংস্কার / যে ১৫টি আচরণ মা-বাবার সাথে করলে আপনার সন্তানও তা আপনার সাথে করবে!

যে ১৫টি আচরণ মা-বাবার সাথে করলে আপনার সন্তানও তা আপনার সাথে করবে!

যে ১৫ টি আচরণ আপনার মা-বাবার সাথে করলে আপনার সন্তানও তা আপনার সাথে করবে. ঘরে ফেরে আগে মা বাবার সাথে দেখা করুন সালাম দিন কুশল বিনিময় করুন কিছু সময় তাদের সাথে গল্প করুন আপনার সঙ্গে তাদের আনন্দ দিবে বাইরে বেরোনোর সময় কোথায়

যাচ্ছেন তা বলে যান কিছু আনতে হবে কিনা বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে করছে কিনা জিজ্ঞেস করুন সুযোগ থাকলে কিছু একটা নিয়ে আসুন নাচাইতে পাওয়ায় তারা খুশি হবেন।নিয়মিত অবস্থায় তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিন অসুস্থ হলে চিকিৎসা ও সেবার ব্যবস্থা করুন বয়স

বাড়লে মানুষ দ্বিতীয় শৈশবে চলে যায় তাদের শিশুসুলভ আচরণ এ অসহিষ্ণু বা ক্ষুব্দ হবেন না। এ সময় তাদের প্রতি সহনশীল ও সহমর্মী হন মতের অমিল হলেও মা-বাবার সাথে তর্ক করবেন না তাদের সাথে ধমকের সুরে কথা বলবেন না প্রশ্নের জবাব বিনয়ের সাথে দিন। খাবার টেবিলে তাদেরকে সাথে নিয়ে বসুন সবার আগে তাদের প্লেটে খাবার উঠিয়ে দিন রাতে ঘুমানোর সময় আগে তাদের ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দিন

তারপর নিজেরা ঘুমোতে যান। বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মা বাবাকে জানান তাদের পরামর্শ ও আশীর্বাদ নেন। মনে রাখবেন আপনার ধ্যান-ধারণা সমকালীন হলেও জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তারা আপনার থেকে অভিজ্ঞ। বাসায় কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে তাদেরকেও সম্পৃক্ত করুন। বৃদ্ধ হয়েছেন বলে তারা এখন সংসারে বুঝা ও প্রান্তীয় বাসার কারো আচরণে যেন তা প্রকাশ না পায়। মা এবং অবসরপ্রাপ্ত

বাবাকে বিনয়ের সাথে হাতখরচ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আপনার ব্যক্তিগত কাজের ফাঁকে তাদের জন্য সময় রাখুন তাদের পছন্দের খাবার রান্না করুন বা তাদের নিয়ে বেড়াতে যান। মেলা উৎসব দাওয়াতে তাদের সঙ্গে নিয়ে যান গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক আলাপকালে তাদের সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলবেন না তাদের সিদ্ধান্ত উপদেশ নির্দেশ আপাতত অপছন্দনীয় হলেও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবেন না।

কোন অন্যায় বা ভুল করতে দেখলে তা বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলুন তাদেরকে শুধরে নিতে সাহায্য করুন। জীবন শানে সন্তানের কাছে থাকার আকুতি সবচেয়ে বেশি থাকে এ সময় তাদেরকে গ্রামে বা নিজের থেকে দূরে শুধু গৃহকর্মী দিয়ে পরিবেষ্টিত করে রাখবেন না শিশু বয়সেই আপনাকে তারা যেভাবে আগলে রেখেছিলেন তাদের শেষ বয়সে তাদের আপনিও সেভাবেই আগলে রাখুন। বোঝা মনে করে তাদেরকে

বিদ্বাশ্রমের পাঠানোর কথা ভুলেও চিন্তা করবেন না যেমন যেমন স্বাভাবিক মৃত্যু তেমন স্বাভাবিক জীবন যেমন সম্মানজনক মৃত্যু তেমন সম্মানজনক হওয়া উচিত তাই মৃত্যুপথযাত্রী মা-বাবাকে লাইফ সাপোর্টে ঢুকিয়ে নির্জন ছেলে একাকী ফেলে রেখে তাদের অসম্মান করবেন না। এর জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক মৃত্যু হচ্ছে আমার কোলে মাথা রেখে আপনার হাতে হাত রেখে পরম প্রভুর নাম নিতে নিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা। মা-বাবা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে গেলে তাদের মাগফেরাত বা অনন্ত প্রশান্তি কামনা করে সৎকর্মে অংশ নিন সাধ্যমত দান করুন

সামর্থ্য থাকলে একজন এতিম কে আলোকিত মানুষ গড়ার দায়িত্ব নিন। পরলোকে মুক্তির নিয়তে আল-কোরআন বিতরণ করুন আপনার বেড়ে ওঠায় মা বাবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করুন সন্তান হিসেবে মনে রাখুন মায়ের পায়ের নিচে আপনার বেহেশত বয়োবৃদ্ধ মা-বাবার যত্ন নিন বার্ধক্যে আপনিও যত্নে থাকবেন। প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয় না এ কথাটি যেমন সত্য তেমনি সরল তাই যারা এখনও ভুলের মধ্য দিয়ে হাঁটছেন

এখনো সময় আছে সরে আসুন এবং সঠিক পথে হাঁটুন আর একটি কথা মনে রাখবেন পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান বিষয়টি হচ্ছে মা-বাবার ভালবাসা যেটা নিঃস্বার্থভাবে আপনাকে ছোটবেলা থেকে লালন-পালন করে আপনার পুরো জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীর সকল মা বাবা ভালো থাকুক।

About By Moni Sen

Check Also

নাভি দেখেই বুজে নিন না’রীদের গো’পন তথ্য

নাভি দেখেই বুজে নিন না’রীদের গো’পন তথ্য – জানেন কি, নাভির আকারের স’ঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x