Wednesday , December 2 2020
Home / সংস্কার / যেভাবে বুঝবেন পরিচিত কেউ আপনাকে শা’রী’রি’কভাবে পে’তে চাইছে… রইল বি’শেষ’জ্ঞের টিপস
image: google

যেভাবে বুঝবেন পরিচিত কেউ আপনাকে শা’রী’রি’কভাবে পে’তে চাইছে… রইল বি’শেষ’জ্ঞের টিপস

যেভাবে বুঝবেন পরিচিত কেউ আপনাকে শা’রী’রি’ক ভাবে পে’তে চাইছে… রইল বি’শেষ’জ্ঞের টিপস- হ ‘ক আ’প! ক্যাজুয়্যাল সে’ক্স বলা যায় বিষয়টাকে! ইচ্ছুক দুই পক্ষ গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ভাষায় বললে তাৎক্ষণিক প্রেমের চাহিদা নিয়ে একে অপরের সান্নিধ্যে এল।

এবং ব্যাপারটা সীমাবদ্ধ রইল ওই পর্যন্তই! তাঁরা সারা জীবনে মাত্র একবার কাছে আসতে পারেন, ইচ্ছে হলে বেশ কয়েকবারও! কিন্তু সে ভাবে কোনও মানসিক আদান-প্রদান থাকে না দুই পক্ষে। এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ পল্লবী জানিয়েছেন, যে তাঁর কাছে এই হু’ক আ’প সংক্রান্ত বিষয়ে

হামেশাই নানা পরামর্শ চেয়ে থাকেন অনেকে। উদাহরণ হিসেবে তিনি আমাদের বলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুরুষের কথা। তিনি জানিয়েছিলেন পল্লবীকে- হু’ক আ’প ব্যাপারটা যেহেতু এখন সমাজে বেশ প্রচলিত, তাই তিনিও তার আনন্দ উপভো’গ করতে চান। তাঁর

মনেও হয় যে পরিচিতা অনেক নারীই তাঁকে শারী’রিক ভাবে কা’মনা করেন। কিন্তু তাঁরা মুখ ফুটে কিছু বলেননি বলে তিনিও রয়েছেন দ্বিধায়। বুঝে উঠতে পারছেন না যে সাহস করে কাউকে এই প্রস্তাব দেবেন কি না! পাছে সেই নারী অপমানিত বোধ করেন আর তার থেকে কোনও

সমস্যা তৈরি হয়! ব্যক্তি তো আদতে সমাজের একক প্রতিনিধি। তাই তিনি যা জানতে চেয়েছিলেন, সেই কৌতূ’হল আরও অনেকেরই থাকবে স্বাভাবিক ভাবে। সেই সূত্র ধরে পল্লবী জানাচ্ছেন যে কী ভাবে বোঝা যাবে পরিচিতা নারী শা’রীরি’ক সম্প’র্ক স্থাপনে আগ্রহী! তবে সবার আগে

তিনি কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখতে বলছেন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে- কেন ক্যাজুয়াল সে’ক্সে হাল’ফিলে আগ্র’হী বোধ করছেন অনেকেই। সেটা খেয়াল রাখলে এ হেন সম্পর্ক নিয়ে অনেক জটি’লতা সহজ হয়ে যাবে।

১. শারীরিক, মানসিক স্বাধীনতা উদযাপন: হতেই পারে, কেউ সম্পর্কের দায়বদ্ধতাহীন নির্ভার যৌ’ন আনন্দ উপভোগ করতে চান। সে দিক থেকে তাঁর পক্ষে কারও সঙ্গে এক বা একাধিকবার শুধুই যৌ’নতায় লি’প্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এ ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির কাছে ভালোবাসা প্রত্যাশা করা অর্থহীন! যদি ব্যাপারটা পরবর্তী কালে দুই পক্ষকে কোনও সম্প’র্কে আবদ্ধ করে, সে ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম উদাহরণকেই সমর্থন করে সেটা ধরে নিতে হবে!

২. পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি মানুষ তো সমাজবদ্ধ জীব! তাই অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি তার যৌ’ন পদক্ষেপের কিছুটাও সমাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এ ক্ষেত্রে হু’ক আ’পের কারণ যতটা না শারীরিক, তার চেয়ে ঢের বেশি করে মানসিক! ধরে নেওয়া যাক- কারও একটার পর একটা সম্প’র্ক ভাঙছে তো ভাঙছেই! এ ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি হু’ক আ’পে আগ্রহী হতে পারেন- তিনি যে আকর্ষণীয়, তাঁর থেকে কয়েকজন মুখ ফিরিয়েছে বলে

বাকিরাও তাই করবে এটা ভুল প্রমাণ করার জন্য! অনেক সময়ে এই সম্প’র্কের ক্রমাণ্বয় ভা’ঙন ভালোবাসায় অ’বিশ্বাসী করে তোলে অনেককে, তখন তাঁরা শুধু হু’ক আ’পের মাধ্যমে শা’রীরি’ক সম্প’র্কেই সীমিত থাকতে চান! আবার বন্ধুবান্ধবদের জীবনযাপন অনেক বেশি ঈর্ষণীয়, পাল্লা দিতে হবে তার সঙ্গে- এই মানসিকতাও কাজ করে হু’ক আ’পের নেপথ্যে।

৩. নিজের উপরে নিয়ন্ত্রণ না থাকা বিশেষ কোনও পরিস্থিতিতে, ম’দ্যপা’নের জেরে অথবা তা ছাড়াই অনেকের মধ্যে শা’রী’রিক স’ম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই ব্যাপারটাও প্রায় হু’ক আ’পের মতোই, একবার হয়েছে বলেই যে বার বার হবে তার কোনও মানে নেই! এ বার এই সব কিছু মাথায় রেখে দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে বুঝবেন পরিচিতা কেউ যৌ’নসম্প’র্কে উৎ’সুক কি না! প্রাথমিক ভাবে এ বিষয়ে কী বলছেন এ বিষয়ে পল্লবী?

১. সময় কাটানো যদি কোনও নারীর কোনও পুরুষকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়, তবে তিনি স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর সঙ্গে স’ময় কা’টাতে চাইবেন অনেক বেশি করে! সে ক্ষেত্রে অন্য পরিচিতদের থেকে আলাদা হয়ে ওই পুরুষের সঙ্গে বার বার দেখা করতেও দ্বিধা বোধ করবেন না তিনি। ২. ছুঁয়ে যাওয়া এটা খুব সরাসরি এক ইঙ্গিত। কেউ কাউকে সামান্য কোনও অছিলায় বার বার স্পর্শ করলে বুঝে নিতে অসুবিধে নেই তিনি কী চাইছেন!

৩. ফ্লা’র্টিং এটাও এক স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম। কেউ কাউকে পছন্দ করলে সে ক্ষেত্রে তাঁর ফ্লা’র্ট করার মধ্যে অস্বা’ভাবিকতা নেই। ৪. প্রশ্রয় দেওয়া কেউ কাউকে পছন্দ করলে তাঁর নানা ব্যাপারেই প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। এটাও ভুলে গেলে চলবে না! কিন্তু সব শেষে মোক্ষম কথাটাও ভুলে গেলে চলবে না! যে লক্ষণগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে, তা সব সময়ে সত্যি না-ও হতে পারে। হতেই পারে, দুই পক্ষের চা’রিত্রি’ক র’সায়’ন খুব ভাল, তাঁরা দিনের পর দিন একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, ঘুরতে যাচ্ছেন, পরস্পরকে নানা ব্যাপারে প্রশ্রয় দিচ্ছেন, সমর্থন করছেন, ফ্লা’র্টও

করছেন একটু-আধটু, সহজ ভাবে গা’য়ে হাত দেওয়া নিয়েও তাঁদের মধ্যে কোনও দ্বিধা নেই। কিন্তু তার মানেই এটা নয় যে দুই পক্ষ পরস্পরের সঙ্গে যৌ’নতা’য় আগ্রহী। তাই এই লক্ষণগুলো দেখে কাউকে প্র’স্তাব দেওয়ার পর তিনি যদি ‘না’ বলে দেন মুখের উপরে, সেটা নিয়ে কোনও প্রশ্ন না তোলাই উচিৎ হবে!

Check Also

বাড়িতে যদি শঙ্খ ব্যবহার করেন তাহলে ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না!

বাড়িতে যদি শঙ্খ ব্যবহার করেন তাহলে ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না! – হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x