Thursday , December 2 2021
Home / শিক্ষাঙ্গন / মাত্র ১৪ বছরে বিয়ে, ১৮ বছরে ২ সন্তানের মা, তবুও হার মানেনি IPS হয়ে ইতিহাস গড়লেন

মাত্র ১৪ বছরে বিয়ে, ১৮ বছরে ২ সন্তানের মা, তবুও হার মানেনি IPS হয়ে ইতিহাস গড়লেন

মাত্র ১৪ বছরে বিয়ে, ১৮ বছরে 2 সন্তানের মা, তবুও হার মানেনি IPS হয়ে ইতিহাস গড়লেন- ভারতবর্ষে মহিলাদের জন্য অনেক আইন করা হয়েছে। তাদের বিবাহ সম্পর্কিত,ক্ষমতায়নের সাথে সম্পর্কিত অনেকগুলি বিধি রয়েছে। এখন সরকারও বিবেচনা করছে যে মেয়েদের বিয়ের

আইনি বয়স 18 থেকে 21 বছর করা উচিত। আসলে আমাদের দেশের অনেক জায়গায় আজও অনেক নেই অল্প বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কেউ স্বইচ্ছায় আবার কেউ পারিবারিক চাপে 15-16 বছরেই বিয়ে করতে বাধ্য হয়। আজ আমরা আপনাকে যে মহিলার কথা বলতে চলেছি তার সাথে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে। তবে তিনি নিজের জীবন বদলে দিয়েছেন এবং বিয়ের পরে আইপিএস অফিসার হয়েছিল।

তামিলনাড়ুর বসবাসকারী ইন অম্বিকা যখন তার বয়স মাত্র 14 বছর তখন তার বিবাহ হয়ে যায়।তার স্বামী পুলিশ সার্জেন্ট ছিলেন। একবার প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অম্বিকা যখন তার স্বামীর সাথে কুচকাওয়াজ দেখতে গিয়েছিলেন তখন দেখেছিলেন যে তার স্বামীকে উচ্চপদস্থ আধিকারিক দের সালাম জানাতে যা তাকে অবাক করে দিয়েছিল। তারপরও তিনি তার স্বামীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তারা কে এবং কেন সে

তাদের সালাম দিচ্ছিল?তার স্বামী জানিয়েছিলেন যে তিনি একজন আইপিএস কর্মকর্তা। আইপিএস হওয়ার জন্য একজনকে অনেক কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়। স্বামীর এই কথা শোনার পরে অম্বিকা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যে সে যে করেই হোক না কেন এই পরীক্ষা দেবেন এবং উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস অফিসার হয়ে দেখিয়ে দেবেন। অম্বিকা যেহেতু 14 বছরে বিয়ে করেছিলেন তাই তার পড়াশোনা মাঝপথেই থেমে গিয়েছিল যখন

তার আঠারো বছর বয়স তখন তিনি দুই কন্যার মা। তবুও তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস অফিসার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যেহেতু তাকে সংসার সামলাতে হতো তাই স্কুলে পুনরায় ভর্তি হওয়ার কোন সুযোগ সে পায়নি তবে তিনি এ সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিলেন।তিনি একটি প্রাইভেট কোচিং নিয়ে দশম শ্রেণীর পরীক্ষা দিয়েছিলেন এবং স্নাতক শেষ করেছেন। এরপরে

অম্বিকা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যে তিনি চেন্নাই থেকে যাবেন এবং সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন তার স্বামীও তাকে এ বিষয়ে যথেষ্ট সমর্থন করেছিল। চেন্নাইতে থাকার সময় যখন তিনি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন তার স্বামীর চাকরির পাশাপাশি বাচ্চাদেরও দেখাশোনা করেছেন।তবে প্রথমবারেই তিনি এই পরীক্ষা পাস করতে পারেননি এর জন্য তাকে তিনবার পরীক্ষা দিতে হয়েছে এবং তিনবারই সে ব্যর্থ হয়।

এরপর তার স্বামীও তাকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য বলে। কিন্তু অম্বিকা তাকে জানান যে তিনি শেষ একবার চেষ্টা করতে চান। এবং শেষ এবং চতুর্থবার চেষ্টায় সে সফল হয়।তার পরিশ্রমের ফল স্বরূপ 2008 সালের ইউ পি এস সি পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়। অম্বিকার এই গল্পটি সমস্ত

যুব সমাজকে শিক্ষা দেওয়া যায় যতই অসুবিধা হোক না কেন আপনি যদি নিজের লক্ষ্যের দিকে কঠোর এবং আন্তরিকতার সাথে পরিশ্রম করেন তবে কোনো কিছুই আপনার গন্তব্য অর্জনে বাধা হতে পারে না।

Check Also

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশে প্রচুর নিয়োগ! নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবে

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশে প্রচুর নিয়োগ! নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবে

যাঁরা পুলিশে চাকরি করতে ইচ্ছুক, এমনকী সেই জন্য রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে আবেদন করেও পরীক্ষা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *