Tuesday , December 1 2020
Home / সংবাদ / মাকে ফ্রিজ উপহার দিতে ১২ বছর ধরে ৩৫ কেজি কয়েন জমিয়েছে ছেলে!
image: google

মাকে ফ্রিজ উপহার দিতে ১২ বছর ধরে ৩৫ কেজি কয়েন জমিয়েছে ছেলে!

মাকে ফ্রিজ উপহার দিতে ১২ বছর ধরে ৩৫ কেজি কয়েন জমিয়েছে ছেলে! – ভারতের যোধপুরের সাহারানপুরের ১৭ বছরের যুবক রাম সিং জ’ন্মদিনে মাকে ফ্রিজ উপহার দিতে চেয়েছিল ছেলে। সেজন্য ১২ বছর ধ’রে এক, দুই, পাঁচ ও ১০ টাকার কয়েন জমিয়েছে। অবশেষে

কলেজ ছাত্রের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। চলতি বছরে মায়ের জ’ন্মদিনে ফ্রিজ কিনেছে সে। মায়ের জ’ন্মদিনের দিন রাম সিং সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেখেছিল, ফ্রিজ কেনার ওপর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সেটা দেখে আর সময় ন’ষ্ট করেনি রাম সিং। সোজা ফোন করে শোরুম মালিককে জা’নায় ফ্রিজ কেনার কথা।কিন্তু মূল্য চোকাবে কয়েনের মাধ্যমে। তখন শোরুম মালিক বুঝতে পারেননি যে ফ্রিজে’র গোটা দামটাই সে কয়েনের

মাধ্যমে দেবে। শোরুমে আসার পর দেখা যায়, রাম সিংয়ের কাছে রয়েছে ১৩ হাজার পাঁচশ টাকা। ২০০৭ সালে রাম সিংয়ের বয়স মাত্র পাঁচ। তখন থেকেই কয়েন জমানো শুরু করে রাম সিং। ১২ বছর পর সব কয়েনের ওজন গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ কেজিতে। সেই ৩৫ কেজি কয়েন নিয়ে রাম সিং সোজা হাজির হয় ফ্রিজে’র শোরুমে। পছন্দমতো ফ্রিজ কিনতে হলে আরো দুই হাজার টাকা দরকার। কিন্তু শোরুম মালিক যুবকের

সব কথা শুনে অভিভূত হয়ে প’ড়েন। আরো বেশি ছাড় দিয়ে ১৩ হাজার পাঁচশ টাকায় ফ্রিজটি তুলে দেন রাম সিংয়ের হাতে। মায়ের প্রতি ভালোবাসা দেখে শোরুম মালিক হরিকৃষ্ণাণ খাতরি সব কয়েন নিয়ে নেন। রাম সিং বলেন, আমাদের পুরনো ফ্রিজটি খা’রাপ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধ’রে মা নতুন ফ্রিজ কেনার কথা বলছিল। তাই আমি কয়েন জমাতে শুরু করি। জা’না গেছে একটি বড় পাত্রের মধ্যে কয়েন জমাতো

রাম। যখনই পাত্রটি ভরে যেত, তখনই টাকা বের করে মায়ের হাতে দিত সে। কিন্তু কয়েনগুলো রেখে দিত। রামের কথায়, একটা বড় পাত্রে কয়েন রাখতাম। এক টাকা, দুই টাকা, পাঁচ টাকা, ১০ টাকার কয়েন আ’লাদা করে রাখা থাকত। ঘ’টনার দিন একটা বস্তায় কয়েন ভরে শিবশ’ক্তিনগরের শোরুমে যাই। সব কয়েন গুনতে আমা’র প্রায় চার ঘণ্টা লে’গেছিল।

Check Also

মাত্র ৫৩ হাজার টাকায় নতুন বাইক, ১ লিটারে মাইলেজ পাবেন ৯০ কি.মি.

মাত্র ৫৩ হাজার টাকায় নতুন বাইক, ১ লিটারে মাইলেজ পাবেন ৯০ কি.মি. – উৎসবের ম’র’’সুমে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x