Home / অন্যান্য / মটর বাইকে সংসার এই দম্পতির ! বেড়িয়েছেন বিশ্বভ্রমণে

মটর বাইকে সংসার এই দম্পতির ! বেড়িয়েছেন বিশ্বভ্রমণে

এই দম্পতি প্রথম পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ২০১৭ সালে তারা বিবাহ বন্ধেনে আবদ্ধ হন সল্টলেকের রথীন্দ্রনাথ দাস ও গীতাঞ্জলী দাসের; তবে তা বিশ্ব ভ্রমণের শর্ত সাপেক্ষে। অন্যন্যা দম্পতির মত তাদের নিদৃষ্ট স্থানে সংসার পাতার স্বপ্ন ছিলা। তাদের স্বপ্ন হলো বিশ্ব ভ্রমণ। তাই বিয়ের পর হতেই নবদম্পতি সংসার পেতেছেন মটর সাইকেলে।

তার শুধু ভ্রমণের জন্য বেড়িয়া পড়ে স্থির থাকেন নি। সেই তারা বন্যপ্রাণীদের বাঁচানোর বার্তা দিয়ে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চষে বেড়িয়েছেন। বিয়ের পর হতে রথীন্দ্রণাথ স্ত্রীকে নিয়ে প্রথমে চলে যান রাজস্থানে। এর তারা বাঘ বাঁচানোর বার্তা দিয়ে মেঘালয়, শিলং, গোয়া, কাশ্মীরসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটক অঞ্জল ঘুরে বেড়িয়েছেন। তাদের ইচ্ছে রয়েছে নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর।

এ পর্যন্ত তারা ২৬০০ স্কুলে গিয়ে বন্যপ্রাণীদের বাঁচাতে শিবির করেছেন রথীন্দ্রনাথ ও গীতাঞ্জলী দাস। তবে তাদেরর এবারের সফরটা অনেকটা চেলেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। কেননা এবার তারা প্রায় ৯০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া পরিকল্পনা করেছেন মটর বাইকে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারী তারা যাত্রা শুরু করেছন দক্ষিণবঙ্গ ভ্রমণ শেষে এসে পৌঁছেন শিলিগুড়িতে।

সেখানে তারা প্রচার প্রচারণা শেষে ফিরে যান কলকাতায়। এর পর তাদের পরিকল্পনা হলো বিদেশ। তবে তাদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো তাদের বাইক পরিবহন এর বিষয়টি। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং বিমান বন্দরে বাইক কীভাবে নিয়ে যাওয়া হবে। তা তারা ভেবে দেখছে।

>
তাদের তথ্যনুসারে জানা যায়, দেড় বছরের ভ্রমণে খরচ পড়বে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। তাদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য নিকটতম বন্ধুবান্ধব ও কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন এগিয়ে আসছে। তাদের পাশে পেয়েছেন একটি অটোমোবাইল সংস্থাকে তারা নিজেদের ২০০ সিসি এর বাইক দিচ্ছে তাদের ভ্রমণ করার জন্য। আর সেই বাইকে লেখা থাকছে “জার্নি পর টাইগার”। সত্যিই তাদের জার্নি টা বন্যপ্রাণীদের জন্য।

এদিকে শিলিগুড়িতে অবস্থানকারে রথীন্দ্রনাথ জানান, ছোলকাল হতেই বন্যপ্রাণীদের প্রতি তার একটা বিশেষ দূর্বলতা কাজ করত। তাদের বাঁচিয়ে রাখার প্রচারণা নিয়ে বাইকে করে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তারা ভ্রমণ করেছেন। সেই সাথে বিভিন্ন স্কুল পড়ুয়াদের সাথে নিয়ে তারা শিবির কার্যক্রম প্রচারণা করছে যা তাদের প্রচারণাকে অনেকটাে এগিয়ে নিতে পারছে। আর রথীন্ত্রনাথের পথের সাথী তো রয়েছেন তার স্ত্রী।

অপর দিকে গীতাঞ্জলী দাস জানান, আমারও ছোট কাল হতে বাইকে করে ঘুরতে যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল। তাই স্বামীর প্রচার কাজে নিজেকে যুক্ত করে ফেলেছি এবঙ সেই সাথে আমাদের সাংসার মূলত এই বাইককে ঘিরে। রোজ প্রায় ১২ ঘণ্টা আমাদের বাইকে থাকতে হয়। সত্যি আমার খুব ভালো লাগছে বাইকে এমন সংসার পাতানোর জন্য।

About By Moni Sen

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x