Monday , April 19 2021
Home / লাইফ-স্টাইল / ভুঁড়ি কমানোর কিছু ঘরোয়া টিপস

ভুঁড়ি কমানোর কিছু ঘরোয়া টিপস

মেদ বা ভুঁড়ির সমস্যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ভূঁড়ি হলে শরীরে নানা প্রকার রোগ ব্যধি বাসা বাঁধে। যেমন: ডায়াবেটিস, প্রেশার, হাঁটু ও কোমর ব্যথাসহ আরও নানা প্রকার রোগ ব্যাধি। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ, অনিদ্রা, বুক ধরপর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ মারাত্মক সব জটিল সমস্যা।

মেদ বা ভুঁড়ি হওয়ার প্রধান কারণ হলো আমাদের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। বিশেষত উচ্চ ক্যালারিযুক্ত খাবার এবং শারীরিক ব্যয়াম না করা। ফলে শরীরের জমে যায় অতিরিক্ত ফ্যাট। আর আমরা যেসব খাবার-দাবার গ্রহণ করি তা অধিকাংশেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এসব খাবার হতে চর্বি
ও কোলেস্টেরল আমাদের শরীরে জমা হয়ে নানা রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে থাকে। তাই খাবার গ্রহণে আমাদের সর্তক হতে হবে। নতুবা ভুঁড়ি হুড় হুড় করে বেড়ে চলতেই থাকবে। এক নজরে দেখে নিন মেদ কমানোর ৭টি ঘরোয়া টিপস:

১। খাওয়ার সময় পুরো পেট ভরে না খেয়ে পেট একটু খালি রাখতে হবে। তাহলে খাবার ভলো হজম হবে এবং অতিরিক্ত ক্যালারিও জমবে না।২। পরিমিত আহার এবং নিয়মিত অবশ্যই করতে হবে। তা না হলে মেদ কমানো সম্ভব নয়।

৩। রান্নায় অতিরিক্ত তেল, মশলা এড়িয়ে চলুন। ফাস্টফুড জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ দিন। এসবের পরির্বতে ফল, টক দই, স্যালাড ইত্যাতি সবজি বা ফল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।
৪। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমাণমত প্রোটিন রাখুন। ছোট মাছ ও প্রচুর পরিমানে শাক-সবজি খান।

৫। ময়দা, চিনি ও ভাত কম খান। এসবের পরির্বতে আটার রুটি, ঢেঁকি ছাটা চালের ভাত খান।৬। নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম করুন। জিমে যাওয়ার সময় না পেলে বাসায় ব্যয়াম করুন। তবে ব্যয়ামের আগে ওয়ার্ম আপ এবং ব্যয়ামের শেষে স্ট্রেচ অবশ্যই করুন।

৭। ভুঁড়ি কমানোর জন্য অনেকে না খেয়ে থাকেন । এটি শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তবে অল্প পরিমানে বার বার ক্ষেতে পারেন।

About Moni Sen

Check Also

সন্তানকে যে ৮টি কথা কখনোই বলা উচিৎ নয়!

সন্তানকে যে ৮টি কথা কখনোই বলা উচিৎ নয়!

সন্তানকে যে ৮টি কথা কখনোই বলা উচিৎ নয়! – আমা’র নিজেদের সন্তানের ভালোর জন্য বকা-ঝকা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x