Tuesday , October 27 2020
Home / স্বাস্থ্য / বালিশের নিচে ১ কোয়া রসুন রাখলে যেসব উপকার পাবেন
image: google

বালিশের নিচে ১ কোয়া রসুন রাখলে যেসব উপকার পাবেন

বালিশের নিচে রসুন রাখলে যেসব উপকার পাবেন – খাবারে রসুন দিলে স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। মাংস হোক বা সাধারণ তরকারি, সামান্য রসুনেই হয় বাজিমাত। তবে স্বাদের পাশাপাশি, স্বাস্থ্যের পক্ষেও যে রসুনের জুড়ি মেলা ভার তা অনেকেরই জানা। কিন্তু জানেন কি রসুন না
খেয়েও, শুধু বালিশের তলায় এক কোয়া রসুন রাখলেও মেলে উপকার। হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে যকৃতের সমস্যায় মহৌষোধির মতো কাজ করে রসুন। রক্ত বিশুদ্ধ করতে ও ধমণী পরিষ্কার রাখতে রসুন খুবই উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবেও কাজ

করে। ফলে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। খাবার হজম ও ডায়াবেটিসেও কাঁচা রসুন খেলে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু শুধু খেয়েই নয়, রসুনের সংস্পর্শে থাকলেও এমন অনেক উপকার পাওয়া যায়। তাই রাতে ঘুমনার সময়ে বালিশের তলায় এক

কোয়া কাঁচা রসুন রেখে ঘুমান। এক সর্বভারতীয় হেলথ ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বালিশের নিচে এক কোয়া রসুন রেখে ঘুমোলে হতাশা দূর হয়। নেতিবাচক ভাবনা দূরে থাকে এবং মনও ভাল থাকে। অনিদ্রায় ভুগলেও এই টোটকা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বাতের ব্যথা থেকে দূরে থাকতেও বালিশের নিচে এক কোয়া রসুন রেখে ঘুমালে ফল পাওয়া যায়।

গবেষণ: মেয়ে সন্তান হলে পিতার আয়ু বাড়ে
পোল্যান্ডের জাগিলোনিয়ান ইউনির্ভাসিটির সম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুত্র সন্তান তাদের পিতার আয়ুর ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে কন্যা সন্তানের সংখ্যার সঙ্গে পিতার লম্বা আয়ুর সমানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে। সালটা ২০২০ হলেও প্রাচ্যের অনেক তৃতীয় বিশ্বের দেশেই পরিবারে কন্যা সন্তান জন্মালে শাঁখ বাজে না, কয়েক সন্ধ্যায় বাতি জ্ব’লে না। সদ্য বাবাদের পিতৃত্বের আনন্দ মুছে যায়, কন্যা সন্তানের

জন্মলগ্ন থেকেই তাঁরা হয়ে ওঠেন কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা। ভারতের পিছিয়ে পড়া বেশ কিছু গ্রামেও ছবিটা খুব কিছু আলাদা না।ইউরোপে ঘটছে উল্টো ঘটনা। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, কন্যা সন্তানের বাবার আয়ু তুলনামূলক বেশি হয়। তারা অন্য পুরুষদের চেয়ে বেশিদিন বাঁচেন। অবশ্য লিঙ্গ নির্বিশেষে সন্তান জন্মদান মহিলাদের আয়ু কমিয়ে দেয় এ ব্যাপারে প্রায় সব গবেষক একমত। পোল্যান্ডের জাগিলোনিয়ান

ইউনির্ভাসিটির সম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুত্র সন্তান তাদের পিতার আয়ুর ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে কন্যা সন্তানের সংখ্যার সঙ্গে পিতার লম্বা আয়ুর সমানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পুরুষের কন্যা সন্তানের সংখ্যা যত বেশি, আয়ুও ততই বেশি। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, প্রতিটি কন্যা সন্তানের জন্য বাবা ৭৪ সপ্তাহেরও বেশি অতিরিক্ত আয়ু পান।২ হাজার ১৪৭ জন

মা এবং ২ হাজার ১৬৩ জন বাবার ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। একটি সন্তান জন্মের পর বাবার মানসিক ও শরীরিক অবস্থা কেমন থাকে সেটি পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এ গবেষণার মূল লক্ষ্য। এদিকে আমেরিকান জার্নাল অব হিউম্যান বায়োলজিতে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, পুত্র বা কন্যা সন্তানের জন্ম মায়ের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং আয়ু কমায়।

Check Also

এই 2 টি ফল ভুলেও একসাথে খাবেন না! সন্তান হিজড়া হয়ে জন্মাবে

এই দুটি ফল ভুলেও একসাথে খাবেন না! সন্তান হিজড়া হয়ে জন্মাবে – হিজড়া কারা? সাধারণত ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!