Sunday , September 27 2020
Home / সংবাদ / বার বার আচরণ বদল করছে করোনা! নেই কোন উপসর্গ তবুও মৃ’ত্যু এই ভাইরাসে
Image: google

বার বার আচরণ বদল করছে করোনা! নেই কোন উপসর্গ তবুও মৃ’ত্যু এই ভাইরাসে

বার বার আচরণ বদল করছে করোনা! নেই কোন উপসর্গ – করোনাভাইরাসের নতুন আচরণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিকিৎসক মহলে। ভারতের বিজ্ঞানীরা করোনার নতুন আচরণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না থাকলেও আচমকাই মৃত্যু হচ্ছে তার।

পরে দেখা যাচ্ছে, তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা বেশ কয়েকটি ঘটেছে। এতে রীতিমত চিন্তায় পড়েছেন রাজ্যের চিকিৎসকরা।চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোগীর মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না পাওয়া গেলেও হঠাতই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে তার। চিকিৎসার শুরুর আগেই মৃত্যু হচ্ছে রোগীর। মেডিক্যাল রিপোর্ট জানাচ্ছে, যদি কোনো ব্যক্তির থেকে অন্তত ২০০ জন

করোনা আক্রান্ত হন, তবে তার এভাবে মৃত্যু হতে পারে। মেডিক্যাল পরিভাষায় এই ব্যক্তিকে বলা হচ্ছে সুপার স্প্রেডার।উল্লেখ্য, অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলার পেডাপুডি ও সংলগ্ন এলাকায় এরকম এক ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে যার মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ ছিল না। অথচ তিনি সুপার স্প্রেডার ছিলেন। স্থানীয় কাঁকিনাড়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আধঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই

ধরনের অ্যাসিম্পোটোম্যাটিক রোগীরা প্রাথমিকভাবে সুস্থ বলেই মনে করা হয়। কিন্তু ভেতরে বাইরে বিভিন্ন অংশের ক্ষতিসাধন করে চলে। আচমকাই তাদের রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে চিকিৎসার বিন্দুমাত্র সুযোগও মেলে না। তারা খুব দ্রুত মারা যান। এদিকে, গোটা বিশ্ব এখন মারণভাইরাস করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রহর গুনছে। প্রথম দফাতে গোটা বিশ্বজুড়ে কার্যত ধ্বংস যজ্ঞ চালিয়েছে ভাইরাস।

দ্বিতীয় দফায় কতটা ভয়ংকর হতে পারে সেটা ভেবেই আতঙ্কিত মানুষজন। কবে এই মারণরোগ থেকে মুক্তি মিলবে তার কোনো সঙ্কেত এখনো পাওয়া যায়নি। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ।কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যাকসিনেই যে এই ভাইরাসকে মারা যাবে সে বিষয়েও ধারণা মেলেনি এখনো। তবে বিজ্ঞানীদের আশা, খুব শিগগিরই হয়তো এর থেকে রক্ষা করা যাবে বিশ্বের মানুষকে। বিশেষ করে অক্সফোর্ড

ইউনিভার্সিটি’র একটি গবেষণা অন্তত সেটাই বলছে। তাদের মতে, আগামী অক্টোবরেই আত্মপ্রকাশ করবে কভিড-১৯ এর প্রতিষেধক। ইতোমধ্যে অক্সফোর্ড তাদের সম্ভাব্য চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ ভ্যাকসিনের তৃতীয় দফার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে।একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। তবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ন্যাজাল স্প্রে বা ইনহেলার হিসেবে

দেওয়া হলে আরো ভালো কাজ করবে বলে মনে করছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা। আর সেই লক্ষ্যেই এখন কাজ করছেন তারা। অক্সফোর্ডের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ইতোমধ্যে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে কয়েক দফাতে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

Check Also

পার্কে ঘুরতে গিয়ে মুহূর্তেই ভাগ্য বদলে এই ব্যক্তির

পার্কে ঘুরতে গিয়ে মুহূর্তেই ভাগ্য বদলে এই ব্যক্তির – হঠাৎ করে মনিমানিক্যের খোঁজ মেলা বা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x