Thursday , November 26 2020
Home / উদ্যেক্তা / বছরে 15-20 লাখ টাকা ইনকাম! আপনার এলাকায় আপনিই শুরু করুন প্রথম এই ব্যবসা!
image: google

বছরে 15-20 লাখ টাকা ইনকাম! আপনার এলাকায় আপনিই শুরু করুন প্রথম এই ব্যবসা!

বছরে 15-20 লাখ টাকা ইনকাম! আপনার এলাকায় আপনিই শুরু করুন প্রথম এই ব্যবসা! – বর্তমান প্রজন্মের দেশের যা অবস্থা তা সত্যিই শোচনীয় । প্রতিদিন বেড়ে চলেছে বেকারত্বের সংখ্যা । যার ফলে দেশ অনেকটা পিছিয়ে পড়ছে অন্যান্য দেশের তুলনায়। কিন্তু এমতাবস্থায়

চাকরি পাওয়ার সহজ ব্যাপার নয়। যদিও চাকরির জন্য চলছে নিরন্তন পরিশ্রম। কিন্তু কোথাও যেন হয়ে পড়ছে ব্যর্থ । সমাজে টিকে থাকতে হলে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে হলে চাকরি করা উপার্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ফলে এক বড় চিন্তার মুখে পড়েছে বেকার সমাজ কিছু দল

মানুষ যদিও চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা করার পরিকল্পনা করছে। তবুও ব্যবসাতে ঝুঁকি বেশি থাকে তাই অনেকে সাহস পাচ্ছেন না এই পদক্ষেপ নিতে। শুধুমাত্র ব্যবসা করব বললেই করা যায় না তার জন্য থাকা দরকার পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রশিক্ষণ ব্যবসায়িক বুদ্ধি এবং মূলধন । কিন্তু

অনেকের ক্ষেত্রে পুঁজি ব্যবসা করার আগে মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায় । সেক্ষেত্রে তাদেরকে ছুটতে হয় ব্যাংকের লোনের দিকে যা তাদেরকে আরো বি-পদে ফেলে। কিন্তু আমি এই মুহূর্তে আপনাদের সামনে এমন এক ধরনের ব্যবসা কথা বলছি যেখানে আপনি বাড়িতে বসে ইনকাম করতে

পারবেন লাখ টাকা । লাগবে না তেমন ভাবে কোন পুঁজি । আপনি নিশ্চয়ই জানতে উদগ্রীব কিসেই ব্যবসা ? তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিসেই ব্যবসা । আমাদের দেশে অধিক মানুষ জনি মাছ প্রিয় হয়ে থাকেন অর্থাৎ মাছ খেতে ভালোবাসেন ।তাই মাছের ব্যবসা দিন দিন বেড়ে

চলেছে। কারণ বাজারের চাহিদা রয়েছে বিপুল পরিমাণে চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুকুর বা জলাশয় পাওয়া যাচ্ছে না । ফলে মাছের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও চাহিদা অনুযায়ী বাজারে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না । তাই আপনি যদি মাছের ব্যবসা করেন তাহলে সেই ব্যবসা

লাভজনক হতে পারে কিন্তু কোন পুকুরের নয় বরং আপনি মাছের ব্যবসা করতে পারেন আপনার বাড়ির ছাদে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছের চাষ বায়োফ্লক চাষ বলা হয়ে থাকে । এটি মূলত ঘরের ভেতরে ট্যাংকের মধ্যে অধিক ঘনত্বে এবং একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছ উৎপাদন প্রক্রিয়া।

যেখানে মাছ চাষের জন্য উপযুক্ত জলাশয় নেই, সেখানেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ খুবই লাভজনক কিন্তু এর প্রধান সমস্যা হলো শুরুতে অধিক বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। এই পদ্ধতিতে সাধারণত নিম্নলিখিত মেশিনারি ব্যাবহার হয়ে থাকে। যেমন- ১)

কালচার ট্যাংক ২) মেক্যানিকাল ফিল্টার ৩) বায়োলজিক্যাল ফিল্টার ৪) প্রোটিন স্কিমার ৫) ইউভি স্টেরিলাইজার ৬) পানির পাম্প ৭) অক্সিজেন জেনারেটরসহ আরো অনেক যন্ত্রপাতি । নির্দিষ্ট ব্যাংকের মধ্যে মাছের খাবার দিয়ে ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন করে বিপুল পরিমাণে মাছ চাষ

করা যায়। এবং এই মাছ আপনি বাজারে বিক্রি করে প্রচুর বছরে ১৫ লাখ টাকা অবধি ইনকাম করতে পারবেন আপনি যদি ব্যবসা করা কথা ভেবে থাকেন তাহলে অতি অবশ্যই এই ধরনের ব্যবসা কথা একবার মাথায় রাখতে পারেন ।

Check Also

বাড়িতে টবে শসা চাষ করার দারুন সহজ পদ্ধতি, একবার চাষ করলে ৭ দিনে হবে পোকা ছাড়া দুর্দান্ত ফলন

বাড়িতে টবে শসা চাষ করার দারুন সহজ পদ্ধতি, একবার চাষ করলে ৭ দিনে হবে পোকা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x