Wednesday , January 20 2021
Home / শিক্ষাঙ্গন / পড়াশোনায় দা’রুন অ’মনোযোগী মেয়ে, নজর রাখতে পোষ্য কুকুরকেই শিক্ষক হিসেবে রাখলেন বাবা

পড়াশোনায় দা’রুন অ’মনোযোগী মেয়ে, নজর রাখতে পোষ্য কুকুরকেই শিক্ষক হিসেবে রাখলেন বাবা

পড়াশোনায় দা’রুন অ’মনোযোগী মেয়ে, নজর রাখতে পোষ্য কুকুরকেই শিক্ষক হিসেবে রাখলেন বাবা – কুকুর প্রভুভক্ত প্রাণী সেটা আমরা সবাই জানি, পোষ্যদের মধ্যে প্রভুভক্ততায় সারমেয় অর্থাৎ কুকুরের নাম সবার আগে। ‘কুকুরের বাচ্চা’ বা ‘কুত্তার বাচ্চা’ আমরা গালাগালের

ক্ষেত্রে ব্যাবহার করলেও আমরা কুকুর পুষি আমাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থে। কারন কুকুর তাড়াতাড়ি পোষ মানে, মানুষের সাথে মিলে মিশে থাকে তারা। প্রায় সমগ্র দেশেই কুকুর গৃহ পালিত প্রাণী হিসেবে পোষা হয়। কিন্তু একটি কুকুরের একটি কাণ্ডে উত্তাল হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া। একটি মেয়ে টেবিলে বসে লিখছে, পড়াশোনা করছে এবং তার সামনে বসে আছে একটা সাদা রঙের কুকুর। তার হাব-ভাব এমনই যেন সেই

মেয়েটির শিক্ষক, যেন বলতে চায় চুপ করে মন দিয়ে পড়াশোনা করো, দুষ্টুমি করবে না আমি কিন্তু সব বুঝতে পারছি। আর নেটে এই গৃহ শিক্ষকের একটি ভিডিও দেখে তার ভক্ত হয়ে গেছে অনেকে এবং সেটা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। কিন্তু আসল ব্যাপারটা তাহলে কি ? জানা গেছে

যে চিনের এক ব্যাক্তি এই কুকুরটিকে ট্রেনিং দিয়েছে এবং এর পেছনে তার উদ্দেশ্যটি হল যাতে তার ছোট্ট মেয়েটি ফাকিবাজি না করে এবং তার এই সমস্ত কাজের দেখভাল করবে কুকুরটি। চিনের গুইঝাউ প্রদেশের বাসিন্দা হলেন জু লিয়াং এবং তার মেয়ে জিংইয়াং। তিনি জানান

যে পড়তে বসলেই তার মেয়ে অমনোযোগী হয়ে ওঠে, ছটফটানি বেড়ে যায় তার, বার বার ভুল করে সে তার বাড়ির কাজে অর্থাৎ হোম টাস্কে, স্বাভাবিক ভাবেই খুব চিন্তায় পড়েছিলেন বাবা লিয়াং। তাই মেয়ের দিকে নজর রাখতেই তার এই পরিকল্পনা। বাচ্চাটির বাবার অর্থাৎ নিজের প্রভুর

কথা মেনে এই কুকুরটিও তার দায়িত্ব পালন করছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে সে মেয়েটির সামনে বসে এক দৃষ্টে চেয়ে আছে মেয়েটির দিকে, পড়াশোনায় যাতে মেয়েটি এক ফোঁটাও ফাঁকি না দেয় তারই প্রচেষ্টায় সে রত। এই ঘটনা প্রসঙ্গে লিয়াং

জানিয়েছেন যে “এর আগে ছোটবেলায় আমার পোষ্য ফান্তুয়ানকে ট্রেনিং দিয়েছিলাম যাতে বেড়ালের নজর থেকে সব খাবার বাঁচিয়ে রাখতে পারে। দুর্দান্তভাবে কাজ করেছিল ফান্তুয়ান। মেয়েকে পড়াশোনায় অমনোযোগী হতে দেখে তাই ওর কথাই প্রথমে মাথায় আসে। অনেক ভাবনা

চিন্তা করে ওকেই ট্রেনিং দেওয়া শুরু করি। আমার ট্রেনিং আর ফান্তুয়ানের চেষ্টায় যে কোনও খামতি নেই সেটা বুঝতেই পারছি। মেয়ে আমার এখন মন দিয়ে হোমটাস্ক শেষ করে।”

About By Moni Sen

Check Also

ছবির প্রথমে লাল বৃত্তের তিনটা নেকড়ে হলো সবচেয়ে বয়ষ্ক, অসুস্থ, দুর্বল, কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতা বেশী; তাদের সামনে দেয়া হয়েছে কারন..

ছবির প্রথমে লাল বৃত্তের তিনটা নেকড়ে হলো সবচেয়ে বয়ষ্ক, অসুস্থ, দুর্বল। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতা বেশী। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x