Thursday , May 13 2021
Home / লাইফ-স্টাইল / প্রভিডেন্ট ফান্ড বনাম মিউচুয়াল ফান্ড; সুবিধা-অসুবিধা, কোনটি ভালো জে’নে নিন

প্রভিডেন্ট ফান্ড বনাম মিউচুয়াল ফান্ড; সুবিধা-অসুবিধা, কোনটি ভালো জে’নে নিন

প্রভিডেন্ট ফান্ড বনাম মিউচুয়াল ফান্ড; সুবিধা-অসুবিধা – বড় সম্পদশালী লগ্নিকারীরা চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ বাজেট ২০২১-এ থাকা একটি প্রস্তাবের ফলে। তার জন্য তাঁরা ঋণ বা ডেট মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়ােগ বেছে নিতে পারেন ভলেন্টারি প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে সরে গিয়ে। ওই

প্রস্তাব অনুসারে, ২০২১ এর পয়লা এপ্রিল থেকে কোন কর্মীর প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা অর্থের উপর সুদের পরিমাণ বছরে ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে (অর্থাৎ যাদের মূল বেতন অন্তত ১.৭৫ লক্ষ টাকা) তাহলে সেটা করযােগ্য হয়ে যাবে। আগে করের ক্ষেত্রে ছাড় ছিল

প্রভিডেন্ট ফান্ডে থাকা অর্থের উপর সুদ বাবদ আয়ে। সাধারণত ভারতের বেতনভুক্ত মানুষজনের কাছে জনপ্রিয় বিনিয়ােগের প্রকল্প হলো
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিপিএফ), ভলান্টারি প্রভিডেন্ট ফান্ড (ভিপিএফ), এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) এবং ইউলিপ। এমপ্লয়িজ

প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রকল্পে যেসব কর্মীরা অর্থ রাখেন, তাঁদের ক্ষেত্রে মালিক বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল বেতনের ১২ শতাংশ দিতেই হয় তাঁদের এই পিএফ অ্যাকাউন্টে। সেক্ষেত্রে ভলেন্টারি প্রভিডেন্ট ফান্ড (ভিপিএফ) হল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ)-এর এক ধরনের সংযােজিত বিষয়। যেখানে ইপিএফ-এ অর্থ জমা দেওয়াটা মূল বেতনের ১২ শতাংশ হিসেবে নিয়ন্ত্রিত, সেখানে ভলেন্টারি প্রভিডেন্ট ফান্ডে তারও

বেশি জমা দেওয়া যাবে প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে। যাঁরা ভিপিএফ অ্যাকাউন্টে বেশি অংকের অর্থ জমা করেন, নতুন প্রস্তাবিত বিধি তাঁদের অসুবিধায় ফেলতে পারে। নিপ্পন ইন্ডিয়া মিউচুয়াল ফান্ডের কো-চিফ বিজনেস অফিসার অশ্বিনী দুগলের অভিমত, বেশ কিছু বিকল্প পথ আছে লগ্নিকারীদের জন্য। তবে সেটা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির করজনিত সুবিধা, রিটার্নের পরিমাণ, ঝুঁকি ইত্যাদি মাথায় রেখে এগােতে হবে। সে ক্ষেত্রে তিনি

জানান, বেশ কিছু ডেট মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে বলে। করের সুবিধা, ভালাে রিটার্ন সহজে নগদের রূপান্তরের সুবিধা থাকছে ওইসব প্রকল্পেও। মিরা অ্যাসেট মিউচুয়াল ফান্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার স্বরূপ মহান্তির বক্তব্য, যদিও এই ডেট মিউচুয়াল ফান্ডে সম্পদশালী লগ্নিকারীরা উচ্চ হারে করের ঝুঁকির মুখােমুখি হবেন, কিন্তু আর কোন ভাল বিকল্প নেই তাঁদের কাছে যদি ভালাে রিটার্ন এবং তুলনায় কম করের বােঝার

কথা চিন্তা করা হয়। তাঁদের হিসাব অনুসারে, এক্ষেত্রে যদি ওই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একেবারে উচ্চ হারের কর (৩০ শতাংশ) প্রদানকারী হন তবে ভিপিএফ অথবা ইপিএফ সুদের হার ৮.৫ শতাংশ থেকে ৫.৮ শতাংশে নেমে যাচ্ছে এবং যদি তাঁরা ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি বছরে জমা করেন তবে ৪ শতাংশ সেস দিতে হবে। তাছাড়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে যদি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) আবার

৪ মার্চের সেন্ট্রাল বাের্ড অফ ট্রাস্টির মিটিংয়ের পর সুদের হার কমায়। গত একবছরের ৭.১-৭.৬ শতাংশ রিটার্ন পাওয়া গিয়েছে ছয়টি এই ধরনের ডেট মিউচুয়াল ফান্ডে। ইন্ডেক্সেশন সহ ২০ শতাংশ হারে কর চাপে যদি এইসব ডেট ফান্ড তিন বছর বা তার বেশি রাখার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। শেয়ার অনেক ঝুঁকিপূর্ণ সেই তুলনায় এই ঋণ বা ডেট ফান্ড নিরাপদ। ফলে এই পরিস্থিতিতে এই বিকল্পের কথা ভাবতে পারেন ইপিএফ অথবা ভিপিএফে লগ্নিকারীরা।

About Moni Sen

Check Also

কোন কোন সময়ে জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিলে তার ফলাফল ভালো হয় না!

কোন কোন সময়ে জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিলে তার ফলাফল ভালো হয় না!

কোন কোন সময়ে জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিলে তার ফলাফল ভালো হয় না – জীবন চলার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x