Saturday , July 24 2021
Home / শিক্ষাঙ্গন / প্রথমে MBBS, তারপর কাশ্মীরের প্রথম মহিলা IPS, পরে IAS অফিসার! ইনি এখন মহিলাদের আদর্শ

প্রথমে MBBS, তারপর কাশ্মীরের প্রথম মহিলা IPS, পরে IAS অফিসার! ইনি এখন মহিলাদের আদর্শ

প্রথমে MBBS, তারপর কাশ্মীরের প্রথম মহিলা IPS, পরে IAS অফিসার! ইনি এখন মহিলাদের আদর্শ- আজ দেশের মহিলারা শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলা, রাজনীতির ক্ষেত্র বা প্রযুক্তিগত ক্ষেত্র যাই হোক না কেনো, প্রতিটি ক্ষেত্রে নাম অর্জন করছে। যেখানে মহিলারা আগে চারটি বিভাগের

সীমাবদ্ধ থাকতো আজ তারা খোলা আকাশ পাচ্ছে এবং তাঁরা নিজেদের ইচ্ছে মতো ডানা মেলে সর্বোচ্চ উচ্চতায় উড়ছেন, তাদের মেধার জোরে সাফল্য অর্জন করছেন। এটি বলা ভুল হবে না যে এখন প্রতিটি ক্ষেত্রে মেয়েদের পারফরম্যান্স পুরুষদের চেয়ে অনেক ভাল হচ্ছে কেবল সুযোগের অপেক্ষা।আজ আমরা এমনই একজন প্রতিশ্রুতিশীল মহিলার গল্প বলতে যাচ্ছি যিনি তার কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সাথে

একটি উদাহরণ স্থাপন করেছেন পুরো দেশের কাছে। আমরা যার কথা বলছি তিনি হলেন আইপিএস রুবেদা সালাম। এক মুসলিম মহিলা যিনি ভারতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কাশ্মীরের প্রথম আইপিএস অফিসার হয়ে কাশ্মীর উপত্যকার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। জম্বু কাশ্মীরের আইপিএস রুবেদা সালাম একের পর এক সফলতা অর্জন করে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ছিলেন এবং তিনি একটি নয় বহু সাফল্য

অর্জনকারী। প্রথম কাশ্মীরি মুসলিম মেয়ে। প্রথমে তিনি এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং তারপরে আইপিএস এবং আইএএস অফিসার হয়ে সবাইকে অবাক করে দেন। আজ সে সকল কাশ্মীরি নারীর রোল মডেল হয়েছেন। 2009 সালে তিনি মেডিকেল অধ্যায়ন করেছিলেন এবং শ্রীনগর থেকে এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তারপরে তিনি শ্রীনগর থেকেই সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিলেন। তিনি সফল হয়েছিলেন এবং 24 তম স্থানসহ তিনি আইপিএস অফিসার হন। রুবেদা আইএস হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন যা তিনি তার প্রতিভা ও পরিশ্রমের

দ্বারা অর্জন করেছিলেন। তবে যেমনটি আমরা সকলেই জানি প্রতিটি সাফল্যের পিছনে রয়েছে অনেক কঠোর সংগ্রাম এবং কঠোর পরিশ্রম যেগুলো ছাড়া কেউই সাফল্য পায় না। অনেক লড়াইয়ের পরে রুবেদা এই স্থান অর্জন করেছেন কারণ মুসলিম মেয়েরা প্রায়শই গৃহীত রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য বহন করে যেমন বাড়ি থেকে বেশি না বেরোনো পড়াশোনা বেশি না করা ইত্যাদি। এমন পরিস্থিতি সব ব্যক্তিদের উচ্চপদস্থ স্থান অর্জন করা নিজেদের মধ্যে দুর্দান্ত সাফল্য। তিনি প্রতিদিনই নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতেন, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন যে কেউ যদি

শ্রীনগরে বাস করে ও সেখানে তাকে প্রতিদিন কিছু না কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় এবং আমরা সকলেই জানি যে জম্মু-কাশ্মীরের প্রায়শই অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন অফিসাররা জনগণের মুখোমুখি হন। 27 বছর বয়সী আইএএস রুবেদা সালাম আইএস হওয়ার জন্য অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তখন তার বাবা-মা এবং আত্মীয়-স্বজনরা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করে কিন্তু তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবেন এবং সেটি

অর্জন করার ক্ষেত্রে তিনি অনর ছিলেন। রুবেদা সাফল্যের কৃতিত্ব তার পরিবারকেই যায় কারণ তার বাবার সর্বদা তার মেয়েকে উৎসাহিত করতেন এবং পারিবারিক ঐতিহ্য কে অগ্রাহ্য করে তার মেয়েকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতেন। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে তিনি তার মেয়ের জন্য খুবই গর্বিত বোধ কারেন তাঁর মেয়ে তার পরিবার ছাড়াও রাষ্ট্র ও দেশের নাম গৌরবান্বিত করেছে‌। এছাড়াও মহিলাদের একটি নতুন দিকনির্দেশনা এবং তাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন রুবেদা। গত কয়েক বছরের কথা বলতে গিয়ে তথ্য

থেকে জানা যায় যে এখন কাশ্মীর উপত্যকায় যুবকরাও সরকারি চাকরিতে আগ্রহী। তবে আগে তা ছিল না এখন রুবেদা সালামের সাফল্য কাশ্মীরের যুবকদের এবং বিশেষত মহিলা ও মেয়েদের উৎসাহিত করবে এবং তারাও পড়বে এবং পড়াশোনায় মাধ্যমে কিছু হওয়ার চেষ্টা করবে। এটা বলা ভুল হবে না যে কাশ্মীর উপত্যকার দিনগুলি এখন পরিবর্তিত হতে চলেছে কারণ সেখানকার যুবকরা এখন আরও সচেতন হয়েছে এবং কাশ্মীর অগ্রগতির পথে যাত্রা শুরু করেছে।।

Check Also

লকডাউনে ৩৫ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ বিশাল নিয়োগ IT সেক্টরে | আবেদন লিংক, যোগ্যতা

লকডাউনে ৩৫ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ বিশাল নিয়োগ IT সেক্টরে | আবেদন লিংক, যোগ্যতা

লকডাউন এবং করোনার কারণে অর্থনীতির ভাঙনের জেরে চাকরি হারিয়েছেন অনেকেই। বিপুল অভিজ্ঞতা থাকা সত্বেও তাদের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *