Thursday , December 3 2020
Home / সংস্কার / প্রতিটি বাঙ্গালী নারী এই কথা গুলো শুনতে শুনতে ক্লান্ত ! দেখুন আপনার তো কমন পরে কিনা
image: google

প্রতিটি বাঙ্গালী নারী এই কথা গুলো শুনতে শুনতে ক্লান্ত ! দেখুন আপনার তো কমন পরে কিনা

প্রতিটি বাঙ্গালী নারী এই কথা গুলো শুনতে শুনতে ক্লান্ত ! দেখুন আপনার তো কমন পরে কিনা – নারী, তাই শুনতে হয় নানা কথা। প্রতিটি কাজেই যেন অদৃশ্য সুতায় বাঁধা থাকতে হয়। জুড়ে দেয়া হয় অনেক বিধিনিষেধ। সেই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের মুখ থেকে শুনতে হয় নানা কথা। বাঙালি নারীদের হরহামেশা শুনতে হয়

এমন কিছু কথা, যা নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের ফিচার: 1.‘দেখে তো বউ বউ লাগে না’: বিয়ের পরে চুরি পরা, নাকফুল পরা না থাকলে অনেক মেয়েরই শুনতে হয় ‘তোমাকে দেখতে বউ বউ লাগে না।’ শ্বশুরবাড়ির দাওয়াতে শাড়ি না পরে যদি কোনো নারী আধুনিক পোশাক পরেন তাহলেও তাকে শুনতে হয় এই

কথা। 2,‘বাচ্চা নাও না কেন?’: একটি দম্পতি কখন সন্তান নিবেন সেটা একান্তই তাদের ইচ্ছা। যদি তাদের মনে হয় সন্তান নিবেন না, সেটাও তাদের ইচ্ছা। কিন্তু আমাদের সমাজে বিয়ের পর থেকেই ‘বাচ্চা নাও না কেন?’ প্রশ্নটি শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যায় নারীদের। এই ক্ষেত্রে প্রশ্ন কর্তাও নারীই হয়ে থাকেন

বেশিরভাগ সময়ে। এমনকি শুধু সন্তান নেয়ার প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ থাকে না বিষয়টি। কোনো সমস্যা আছে কিনা বা থাকলে সেটা কার সমস্যা, এমন ব্যক্তিগত বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়ে থাকে নারীদের। 3,‘মেয়েদের গাড়ি চালানো ঠিক নয়’: নারীরা পথে স্কুটি চালাচ্ছেন বা গাড়ি চালাচ্ছেন। এই সাধারণ কাজটি করতে তাদেরকে পার করে

আসতে হয় অনেক কঠিন বাঁধা। সমাজ এবং পরিবারের মানুষগুলিই বলে ‘মেয়েদের গাড়ি চালানো ঠিক নয়’। এমনকি পথে ঘাটেও আশেপাশের পুরুষদের কাছ থেকে শুনতে হয় নানা কটু কথা। 4.‘বিপদ ডেকে আনে এমন পোশাক পরো না’: নারী কোনো বিপদে পড়লে প্রথম যে কাজটি করা হয় তা হলো তার ‘পোশাক’ নিয়ে প্রশ্ন

তোলা! বিপদের জন্য পোশাককে দায়ী করা উচিত নাকি অনুচিত তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক চলতেই থাকবে। কোন পোশাকটি পরা যাবে আর কোনটি যাবে না, তা নিয়ে অন্যদের হস্তক্ষেপ করা পছন্দ করেন না নারীরা। 5.‘মেয়ে হয়েও রাঁধতে পারো না?’: পড়াশোনার চাপে, ক্যারিয়ারের ব্যস্ততায় কিংবা আগ্রহ নেই বলে অনেক নারীই

রান্না করতে পারেননা। আবার কেউ কেউ অল্পস্বল্প রান্না পারেন। কোনো নারী রাঁধতে না পারলে তাকে শুনতে হয় নানা কথা। বিশেষ করে বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়িতে রান্না না পারাটাকে অনেক বড় অযোগ্যতা এবং অপরাধ মনে করা হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে। 6. ‘জীবনের লক্ষ্য না থাকলেই গৃহিণী হতে হয়’: সময়ের প্রয়োজনে কোনো

নারীকে যদি চাকরি ছেড়ে গৃহিণী হতে হয়, তাহলে তাকে শুনতে হয় নানা কথা। ‘তোমার কি জীবনের কোনো লক্ষ্য নেই নাকি’, 7. ‘পড়াশোনা করেছো কি ঘরে বসে থাকার জন্য’- এমন নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হয় তাদের। বিষয়টি খুবই বিব্রত করে নারীদের। আবার বিপরীত চিত্রও দেখা যায়। ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটলে নারীকে বলা হয় ‘তুমি সংসারী না’, ‘সারাদিন ক্যারিয়ার ক্যারিয়ার করো কেন’, ‘নারীর আসল যায়গা চুলার পাড়’ ইত্যাদি কথা শুনতে হয় হরহামেশাই।

Check Also

বাড়িতে যদি শঙ্খ ব্যবহার করেন তাহলে ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না!

বাড়িতে যদি শঙ্খ ব্যবহার করেন তাহলে ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না! – হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x