Home / লাইফ-স্টাইল / দাম্পত্য ক’লহ এড়াতে এই টিপসগুলো কাজে লাগান; সুখের সংসার হবে
image: google

দাম্পত্য ক’লহ এড়াতে এই টিপসগুলো কাজে লাগান; সুখের সংসার হবে

দাম্পত্য কলহ এড়াতে এই টিপসগুলো কাজে লাগান; সুখের সংসার হবে – কথায় আছে সংসারে সুখ না থাকলে কোন কাজে মন বসে না । আর কাজ যদি ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন না করতে পারেন তাহলে জীবনে উন্নতির কথা ভুলে যেতে হবে । আর “সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে”

এই কথা সকলেই জানে । সুতরাং স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়ার মাধ্যমেই দাম্পত্য কলহ এড়িয়ে চলা সম্ভব । আর দাম্পত্য কলহ না থাকলে সংসার সুখের হতে আর বাঁধা কোথায় !বিবাহের মাধ্যমে একদিকে যেমন দুই পরিবারের মেলবন্ধন ঘটে তেমনি দুইজন নারী-পুরুষের মধ্যেও একটি মধুর সম্পর্ক তৈরি হয় । কিন্তু সব সময় সেই বোঝাপড়া আর হয়ে ওঠে না । কারন একটি মেয়ে বিবাহের পর সম্পূর্ণ একটি

নতুন পরিবারের সদস্য হন । মানিয়ে নিতে বা সব কিছু বুঝে নিতেও তাঁর বেশ কিছুটা সময় দরকার হয় । আর দেখা গেছে, বিবাহের পর নারী পুরুষ, উভয়ের জীবনে পরিবর্তন আসে । তবে সে ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসে বেশী । এবার দাম্পত্য কলহ থেকে দূরে থাকতে এবং সংসার সুখে রাখতে কিছু টিপসের কথা মাথায় রাখুন । বিবাহের পর যেহেতু দুজনেরই জীবনে পরিবর্তন আসে এবং একটি মেয়ে যখন

স্বামীর ঘরে প্রবেশ করে তখন তাঁকে মানিয়ে নেবার জন্য কিছু সময় দিন । চেষ্টা করুন, দু’জনের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া গড়ে তোলার । একে অপরকে ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করুন। কর্ম ব্যস্ততার যুগে সকলেই ব্যস্ত । কিন্তু মাথায় রাখুন আপনার প্রিয়জনের জন্য একটু সময় বের করার । হাজারো ব্যস্ততায় একে অপরের জন্য সময় বের করে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায় ।দাম্পত্য কলহের একটি বড় কারন

একে অপরের পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া । পরস্পরের পছন্দ, ভাল লাগা ইত্যাদি বিষয়গুলি মাথায় রাখুন এবং একে অন্যের পছন্দকে প্রাধান্য দিন। দাম্পত্য কলহের অপর একটি কারন বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো । স্বামী-স্ত্রীর মনের মধ্যে একে অপরের প্রতি সন্দেহ ঢুকে গেলে মনোমালিন্য হবেই । একারনে পরস্পরের কাছে স্বচ্ছ থাকুন, কাঁচের মতো। কোনো সমস্যা থাকলে তৃতীয় ব্যক্তি নয়, নিজেরাই সমঝোতায় পৌঁছাবার চেষ্টা

করুন । ব্যস্ততার মধ্যে কিছুটা সময় বের করে নিন । সময় এবং সুযোগ পেলেই সংসারে গৃহস্থালির কাজকর্মগুলোকে সমান ভাগে ভাগ করে নিন। একে অপরের কাজে সহযোগিতা করুন। কারণ পারস্পরিক সহযোগিতা দু’জনের সম্পর্ক গাঢ় করতে বেশ সাহায্য করে । কথায় বলে ‘অভাব এলে সুখ জানালা দিয়ে পালায়’ । হ্যাঁ, কথাটা একদম সত্যি । আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী সংসার পরিচালনা করুন। তার থেকে কিছু

অংশ সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন । সংসার করতে গেলে ভুল ভ্রান্তি হবেই । তবে যদি মনে হয় ভুল হয়েছে, তাহলে চেষ্টা করুন সেটা শীঘ্রই স্বীকার করে নেয়া।এর ফলে পারস্পারিক ভুল বোঝাবুঝি হবে না । পরস্পরের সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন । চেষ্টা করুন খারাপ কাজের সমালোচনা কম করে ভালো কাজের প্রশংসা বেশী করার । একটি মেয়ের বিবাহ হয়ে গেলেও তাঁর বাপের বাড়ীর প্রতি কিছু

দায়দায়িত্ব থেকে যায় । এই কারনে বিবাহ হয়ে গেছে মানেই বাপের বাড়ীর সাথে সম্পর্ক শেষ নয় এই কথা ভুলে গিয়ে স্বার্থপরের মতো শুধু নিজের পরিবার নয়, উভয়ের পরিবারের ভালো মন্দে খোঁজ খবর রাখুন। এর ফলে আপনার স্ত্রীর চোখে আপনার প্রতি ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা বেড়ে যাবে । বাইরের কাজের চাপে যদি সংসারে সময় দিতে না পারেন, তাহলে কাজের ফাঁকে বাড়িতে ফোন করে কথা বলুন ।

Check Also

ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমছে? তাহলে জে’নে নিন করণীয়!

ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমছে? তাহলে জে’নে নিন করণীয়! – অনেকের ফ্রিজে কয়েকদিন পর পরই বরফের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x