Wednesday , October 27 2021
Home / লাইফ-স্টাইল / জেনে নিন ৪ থেকে ৮ বছরের সন্তানের অভিভাবকদের যা যা করণীয়

জেনে নিন ৪ থেকে ৮ বছরের সন্তানের অভিভাবকদের যা যা করণীয়

জেনে নিন ৪ থেকে ৮ বছরের সন্তানের অভিভাবকদের যা যা করণীয় – আজকের এই লিখাটি পা’রিপার্শ্বিক অ’ভিজ্ঞতার আলোকে লেখার চেষ্টা করেছি। আশা করি যাদের ঘরে এই বয়সের সন্তান আছে এবং এই বয়সে পা দিতে যাচ্ছে তাদের জন্য হেল্পফুল হবে। শি’শুরা নি’ষ্পাপ,

কোমল হৃ’দয়ের, কাঁচা মাটির মতো আপনি যেভাবে চাইবেন সেভাবেই শেপ দিতে পারবেন। কাজেই আমা’রা যারা অবিভাবক তাদের দায়িত্ব অনেক বেশী। যখন বাচ্চারা কোন নিয়মের বরখেলাপ করে তখন বাবা মায়ের উচিত খুব সহজভাবে এবং সংক্ষেপে বঝানো। কেননা বাচ্চারা খুব জটিল কথা বুঝতে পারে না এবং খুব তাড়াতাড়ি আগ্রহ হারিয়ে ফে’লে। তাই প্রথমে বলুন সে কি ভুল করেছে? আর ভুলটির শা’স্তি অবশ্যই

লজিকাল এবং মিনিংফুল হতে হবে। যেমন সাইকেল চালানোর সময় হেল্মেট না পরলে সে ১/২ দিন সাইকেল খেলতে পারবে না। অথবা সে যদি কার সাথে খেলনা শেয়ার ক’রতে না চায় তবে সেই খেলনা দিয়ে সে আর খেলতে পারবে না। এই বয়স থেকেই বাচ্চাদের জন্য রুটিন তৈরি এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করুন। যেমন সকালে নিজে নিজে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হওয়া, ব্রেকফাস্ট করা। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে

ফ্রেশ হয়ে, দাঁত মেজে সুন্দর কোন গল্পের বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়া। এর মাঝের সময়টুকু অন্যান্য টিভি, ভিডিও গেম, ফিজিক্যাল খেলাধুলার জন্য বরাদ্দ রাখু’ন। নিজে’র অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, আম’রা বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখতে অনেক সময় কম্পিউটারে বা মোবাইলে গেমস খেলতে দেই এবং খেয়াল রাখি না আ’সলে বাচ্চাটি কত ঘন্টা যাবত কম্পিউটারের সামনে বসে আছে।যেসব বাচ্চারা কম্পিউটারের

সামনে অতিরি’ক্ত সময় ধ’রে বসে থাকে সেসব বাচ্চাদের ঘুমের পরিমান কমে যায়।কাজেই দিনে দু’ঘণ্টার বেশী সময় কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা উচিত নয়। বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়।এটা অজা’না কিছু নয়।কিন্তু আম’রা অনেক সময় বাচ্চাদের সামনে এমন আচরণ করে বসি যা তারা খুব সহজেই রপ্ত করে ফে’লে এ কারণে মাঝে মাঝে তাদের কিউট বলে চালিয়ে দিলেও বেশির ভাগ সময় লজ্জায়ও পড়তে হয়।যেমন

অনেক সময়েই বাচ্চাদের উপ’স্থিতিতেই বড়রা স’মালোচনা, পরচর্চা করি।যা খুব সূক্ষ্মভাবে বাচ্চাদের মনে গেঁথে যায়।তারা এমন ভেবেই বেড়ে ওঠে যেন এমনটাই স্বা’ভাবিক। আমাদের দেশের কথা বিবেচনা করলে ৪ থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চারা স্কুলে যাওয়া শুরু করে। আর এই সময়টাতেই আম’রা(মা-বাবা) অবুঝের মতো কান্ড ক’রত থাকি। বাচ্চাদের যেই সময়টা আনন্দ করে পড়ার এবং জা’নার কথা সেই সময়

আম’রা মা’রা প্রতিযোগিতার মনোভাব ঢুকিয়ে দেই।প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকাটা জ’রুরি কিন্তু না খেয়ে-দেয়ে কেবল নাক ডুবিয়ে ক্লাসের ফার্স্টবয়/গার্ল হওয়ার মা’নসিকতা আ’সলে অসু’স্থতা ছাড়া কিছু নয়। এই সময়টাতে বাচ্চাদের মনে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি ক’রতে হবে। এমনও অনেক মা আছেন যারা রাতে বাচ্চাদের পড়াতে বসান এই ভেবে যে উনিও তো রাত জেগে পড়তেন কৈ তার তো কোন স’মস্যা

হয়নি তবে বাচ্চাকেও তাই ক’রতে হবে। কিন্তু একবার ভেবে দেখু’ন এই বাড়ন্ত বয়সে আদৌ কি আমাদের বাবা-মা’রা আমাদের রাত জাগিয়ে পড়াতেন! আ’সলে সব মিলিয়ে যা হয় সারাদিন শেষে রাতে বাচ্চার পড়ার ধৈর্য থাকে না সে কোনরকম করে পড়া শেষ করে যথারীতি মা যান ক্ষেপে। অনেকসময় তো মা’রতেও কু’ণ্ঠাবোধ করেন না। শেষমেশ দু’জনেই মন খা’রাপ করে ঘুমতে যান যা একেবারেই মন ও স্বা’স্থ্যের জন্য

ভালো ফল বয়ে আনবে না।এই বয়স থেকেই আপনার সন্তানকে নিজে’র ছোটোখাটো কাজগুলো করা শিখিয়ে নিন।এক্ষেত্রে বাবা মা দুজনকেই নিজে’র কাজগুলো নিজেই ক’রতে দেখলে বাচ্চারাও তাই শিখবে।অনেক বাবাই আছেন ভাবেন সারাদিন তো অফিসে কাজ করেই আ’সলাম এখন জুতো খু’লে যে ঘরে ঢুকেছি এটাই তো অনেক।এলোমেলো করে রেখেই চলে যান।তবে অভ্যাসটি পরিবর্তন করার সময় চলে এসেছে।

আর ভুলটির শা’স্তি অবশ্যই লজিকাল এবং মিনিংফুল হতে হবে। যেমন সাইকেল চালানোর সময় হেল্মেট না পরলে সে ১/২ দিন সাইকেল খেলতে পারবে না। অথবা সে যদি কার সাথে খেলনা শেয়ার ক’রতে না চায় তবে সেই খেলনা দিয়ে সে আর খেলতে পারবে না। এই বয়স থেকেই বাচ্চাদের জন্য রুটিন তৈরি এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করুন। যেমন সকালে নিজে নিজে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হওয়া, ব্রেকফাস্ট

করা। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফ্রেশ হয়ে, দাঁত মেজে সুন্দর কোন গল্পের বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়া। এর মাঝের সময়টুকু অন্যান্য টিভি, ভিডিও গেম, ফিজিক্যাল খেলাধুলার জন্য বরাদ্দ রাখু’ন। নিজে’র অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, আম’রা বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখতে অনেক সময় কম্পিউটারে বা মোবাইলে গেমস খেলতে দেই এবং খেয়াল রাখি না আ’সলে বাচ্চাটি কত ঘন্টা যাবত কম্পিউটারের সামনে বসে আছে।যেসব বাচ্চারা কম্পিউটারের সামনে অতিরি’ক্ত সময় ধ’রে বসে থাকে সেসব বাচ্চাদের ঘুমের পরিমান কমে যায়।কাজেই দিনে দু’ঘণ্টার বেশী

সময় কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা উচিত নয়। বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়।এটা অজা’না কিছু নয়।কিন্তু আম’রা অনেক সময় বাচ্চাদের সামনে এমন আচরণ করে বসি যা তারা খুব সহজেই রপ্ত করে ফে’লে এ কারণে মাঝে মাঝে তাদের কিউট বলে চালিয়ে দিলেও বেশির ভাগ সময় লজ্জায়ও পড়তে হয়।যেমন অনেক সময়েই বাচ্চাদের উপ’স্থিতিতেই বড়রা স’মালোচনা, পরচর্চা করি।যা খুব সূক্ষ্মভাবে বাচ্চাদের মনে গেঁথে যায়।তারা এমন ভেবেই বেড়ে ওঠে যেন এমনটাই স্বা’ভাবিক। আমাদের দেশের কথা বিবেচনা করলে ৪ থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চারা স্কুলে

যাওয়া শুরু করে। আর এই সময়টাতেই আম’রা(মা-বাবা) অবুঝের মতো কান্ড ক’রতে থাকি। বাচ্চাদের যেই সময়টা আনন্দ করে পড়ার এবং জা’নার কথা সেই সময় আম’রা মা’রা প্রতিযোগিতার মনোভাব ঢুকিয়ে দেই। প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকাটা জ’রুরি কিন্তু না খেয়ে-দেয়ে কেবল নাক ডুবিয়ে ক্লাসের ফার্স্টবয়/গার্ল হওয়ার মা’নসিকতা আ’সলে অসু’স্থতা ছাড়া কিছু নয়। এই সময়টাতে বাচ্চাদের মনে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি ক’রতে হবে।এমনও অনেক মা আছেন যারা রাতে বাচ্চাদের পড়াতে বসান এই ভেবে যে উনিও তো রাত জেগে পড়তেন

কৈ তার তো কোন স’মস্যা হয়নি তবে বাচ্চাকেও তাই ক’রতে হবে। কিন্তু একবার ভেবে দেখু’ন এই বাড়ন্ত বয়সে আদৌ কি আমাদের বাবা-মা’রা আমাদের রাত জাগিয়ে পড়াতেন! আ’সলে সব মিলিয়ে যা হয় সারাদিন শেষে রাতে বাচ্চার পড়ার ধৈর্য থাকে না সে কোনরকম করে পড়া শেষ করে যথারীতি মা যান ক্ষেপে। অনেকসময় তো মা’রতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না। শেষমেশ দু’জনেই মন খা’রাপ করে ঘুমতে যান যা একেবারেই মন ও স্বা’স্থ্যের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না।এই বয়স থেকেই আপনার সন্তানকে নিজে’র ছোটোখাটো কাজগুলো করা

শিখিয়ে নিন।এক্ষেত্রে বাবা মা দুজনকেই নিজে’র কাজগুলো নিজেই ক’রতে দেখলে বাচ্চারাও তাই শিখবে।অনেক বাবাই আছেন ভাবেন সারাদিন তো অফিসে কাজ করেই আ’সলাম এখন জুতো খু’লে যে ঘরে ঢুকেছি এটাই তো অনেক।এলোমেলো করে রেখেই চলে যান।তবে অভ্যাসটি পরিবর্তন করার সময় চলে এসেছে।

Check Also

এবার বিনামূল্যে পেয়ে যাবেন ট্রেনের টিকিট

সুখবর! এবার বিনামূল্যে পেয়ে যাবেন ট্রেনের টিকিট, জানুন নতুন নিয়ম

আইআরসিটিসি-র মাধ্যমে নিয়মিত রুপে কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট বুকিং করে থাকলে এই খবরটি আপনার জন্য ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *