Wednesday , October 27 2021
Home / সংস্কার / জে’নে নিন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত!

জে’নে নিন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত!

শ’রীর কাঠামো বা ফিগারেরে রয়েছে গোল্ডেন অনুপাত। এ কথাটি শুধু শ’রীরের ক্ষেত্রেই নয়, বরং বিয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। স্বামী-স্ত্রীর স’স্পর্ক ও ভালোবাসা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভর করে দু`জনের উচ্চতা, বয়স ও বেতনসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। তবে যারা প্রেমে

হাবুডুবু খাচ্ছেন, তাদের কথা আ’লাদা। তারা হয়তো চাইলেও আর কোনো মানদণ্ডে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে বিচার করবেন না। কিন্তু যারা প্রেম না করে বিয়ে করছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়স, উচ্চতা ও বেতন একটি বড় বিবেচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। চলুন তাহলে জে’নে নেয়া যাক বিয়ের

ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর এসব বিষয়ে ব্যবধান কেমন হওয়া উচিত? স’ম্প্রতি স্বা’স্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে লিখিত একটি প্রব’ন্ধে এ স’স্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। প্রব’ন্ধে শুধু বয়সের ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে তা নয়, দু`জনের উচ্চতা ও বেতনের ব্যবধান এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে সুস’স্পর্ক রাখাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-

বয়সের ব্যবধান:
প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের আদর্শ ব্যবধান ধ’রা হয় ৩ বছরকে। সাধারণত মেয়েরা মনের দিক দিয়ে তুলনামূলকভাবে একটু আগেই পরিপক্কতা লাভ করে। আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মা’নসিক মিল থাকাটা জ’রুরি। তাই মনে করা হয় যে, স্বামী যদি স্ত্রীর চেয়ে ৩ বছরের বড় হয় তবে দু`জনের মা’নসিক পরিপক্কতা সমান হবে। তা ছাড়া, ৩ বছর বড় হলে স্বামী একটু আগে পড়ালেখা শেষ করে কোনো একটা পেশা বেছে নেবে এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবে। এটাও বয়সের ব্যবধান ৩ রাখার একটা কারণ। এখানে একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, কিশোর বয়সে মেয়েদের মা’নসিক বিকাশ ছেলেদের তুলনায় দ্রুত হয়। কিন্তু ২০ থেকে ৩০ বছর সময়কালটায় এ ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না।

উচ্চতার অনুপাত:
প্রথমে স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার আদর্শ উচ্চতার বিষয়টি জা’না যাক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যবধান হচ্ছে ১২ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ স্বামী বা প্রেমিককে হতে হবে ১২ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা। কেন? কারণ, এতে নাকি পরস্পরকে আলি’ঙ্গন করা ও চুমু খাওয়ায় সুবিধা হয়। এ স’স্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত হচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মেয়ে সাধারণত নিজেকে সযত্নে র’ক্ষা ক’রতে চান। স্বামী বা

প্রেমিকের উচ্চতা বেশি হলে, তিনি অনেক বেশি নি’রাপদবোধ করেন। আ’সলে ছেলেদের উচ্চতা সাধারণতভাবে মেয়েদের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে ১০ সেন্টিমিটার বেশি হলে, দে’খতে সুন্দর লাগে; মানানসই মনে হয়। এই ব্যবধান দু`পক্ষের লি’ঙ্গ পরিচয়কেও আরও স্পষ্ট করে তোলে। স্বামী বা প্রেমিককে তখন অনেক বেশি ম্যানলি মনে হয় এবং স্ত্রী বা প্রেমিকাকে আরও বেশি কমনীয় ও সুন্দর লাগে। উচ্চতার ব্যবধানটি অতিরি’ক্ত হলে দে’খতে ভালো দেখায় না।

বেতনের অনুপাত:
বেতন বা আয়ের ব্যাপারটা কম গু’রুত্ব পূর্ণ নয়। কোন কোন জরিপ অনুসারে, স্বামীর বেতন বা আয় স্ত্রীর দেড় গুণ হলে ভালো। এতে পরিবারের সুখের সূচক বাড়ে। আজকাল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বামী ও স্ত্রী দু`জনই চাকরি করেন বা আয় করেন। তবে ঐতিহ্যবাহী ধারণার প্র’ভাবে অনেকের মতামতা এমন যে, পরিবারে স্বামীর আর্থিক দায়িত্ব বেশি বহন করা উচিত। তাই স্ত্রীর চেয়ে স্বামীর আয় বেশি হওয়া আবশ্যক বলেই অনেকে মনে করেন। এতে এক দিকে স্বামীর মুখ র’ক্ষা হবে, অন্যদিকে স্ত্রীর নি’রাপত্তাবোধ বাড়বে। তবে, এ ব্যবধান যত বেশি হবে তত ভালো।

শ্বশুর-শ্বাশুড়ী প্রসঙ্গ:
আজকালকার ছেলে-মেয়েরা প্রবীণদের স’ঙ্গে বসবাস ক’রতে চান না। অথচ বাবা মা`র যত্নে আরও বেশি সচে’তন হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক দম্পতি নিজেদের মতো করে থাকতে চান; গড়তে চান নিজস্ব একটা ভূবন। যেখানে অন্য কেউ থাকবে না। তারা চান, তাদের বিবাহিত জীবনের গুণগত মান উন্নত ক’রতে।এই চাওয়াটা ঠিক। কিন্তু পিতা-মাতা বা শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর যত্ন নেওয়ার গু’রুত্ব ও তাদের বুঝতে হবে। তারা

নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়ে সন্তান বড় ক’রেছেন। তাই পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব স’স্পর্কে সচে’তন থাকতে হবে। তাহলে কী করা উচিত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ’ন্তত এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি ক’রতে হবে যাতে পিতা-মাতা বা শ্বশুর-শ্বাশুড়ী তাদের প্রয়োজনে ছেলেমেয়েকে কাছে পান।

Check Also

মেয়েরা যে ১০টি বিষয় মনে মনে পুরুষের কাছ থেকে আশা করে

মেয়েরা যে ১০টি বিষয় মনে মনে পুরুষের কাছ থেকে আশা করে

সেই আদিকাল থেকেই চলে আ’সছে নারী ও পুরুষের অনবদ্য প্রে’ম। হাজার হাজার বছরে বদলেছে স’স্পর্কের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *