Saturday , October 23 2021
Home / স্বাস্থ্য / জেনে নিন টনসিল থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ প্রতিকার

জেনে নিন টনসিল থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ প্রতিকার

জেনে নিন টনসিল থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ প্রতিকার- টনসিলের সমস্যা হলে গলায় ব্যথা হয়। তখন ঢোক গিলতে খুব কষ্ট হয়। এই ব্যথা

টনসিলে সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। আর এ সমস্যা যে কোনো বয়সের মানুষের হয়ে থাকে। জিহ্বার পেছনে ও গলার দুই পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যা দেখা যায় তা হলো টনসিল। টনসিল দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি মূলত এক ধরনের টিস্যু বা কোষ। টনসিল

মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দিয়ে থাকে। ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে টনসিলের ব্যথা হয়ে থাকে।সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলো টনসিলের এ সংক্রমণের জন্যও দায়ী। আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে এই টনসিল দূর করতে পারেন। আসুন জেনে নিই টনসিল প্রতিরোধে ঘরোরা ৫ উপায়-

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক

1. আদা চা: দেড় কাপ পানিতে এক চামচ আদার কুচি আর আন্দাজ মতো চা পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ৩-৪ বার এই পানীয় পান করুন। আদার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি উপাদান সংক্রমণ ছাড়াতে বাধা দেয় ও গলাব্যথা কমায়।

2.লবণ পানি: গলাব্যথা হলে গরম পানিতে লবণ দিয়ে গড়গড়া করতে হবে। এটি টনসিলে সংক্রমণ রোধ করে ব্যথা কমাতে খুব ভালো কাজ করে। লেবুর রস: এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানিতে ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, আধা চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। গলাব্যথা ভালো না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকুন।

3. হলুদ দুধ: এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন।
4.ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে খুব ভালো কাজ করে। কারণ ছাগলের দুধে আছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাবেন।

5. হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি উপাদান, যা গলাব্যথা ও টনসিলের সংক্রমণ দূর করে।

6. সবুজ চা ও মধু: এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ সবুজ চা পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে ওই চা পান করুন। সবুজ চায়ে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা খেতে পারলে উপকার পাবেন।

Check Also

লিভার নষ্ট হবার ১০টি কারণ

লিভার নষ্ট হবার ১০টি কারণ

আমাদের শরীরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল যকৃৎ বা লিভার। পরিপাক ক্রিয়ায় মুখ্য ভূমিকা পালন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *