Thursday , December 3 2020
Home / স্বাস্থ্য / ঘরে মাত্র ১০ মিনিট তেজপাতা পোড়ান; অবিশ্বাস্য উপকারিতা পাবেন
image: google

ঘরে মাত্র ১০ মিনিট তেজপাতা পোড়ান; অবিশ্বাস্য উপকারিতা পাবেন

ঘরে মাত্র ১০ মিনিট তেজপাতা পোড়ান; অবিশ্বাস্য উপকারিতা পাবেন – অনেক কাল ধরেই তেজপাতা বিভিন্ন রোগের নিরাময়কারী ও স্বাস্থ্যকর ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তেজপাতা শুধু খাওয়াতেই নয়, পোড়ালেও নাকি অনেক উপকার পাওয়া যায়। এমনটিই জানাচ্ছে

স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেলদি ফুড ট্রিকস’। ওই ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে তেজপাতা পোড়ানোর ফলে যে উপকারিতা পাওয়া যায় সেগুলোই তুলে ধরা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ছাইদানিতে কয়েকটি তেজপাতা নিয়ে ১০ মিনিট ধরে পোড়ানোর ফলে এতে

পাতা যেমন পুড়বে, তেমনই পুড়বে এর মধ্যে থাকা অপরিহার্য তৈল উপাদানও। তেজপাতা পোড়ালে ধীরে ধীরে ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এই ভেষজ গন্ধ মনকে সতেজ করে দেবে। এটি মন-শরীরকে যেমন প্রশমিত করতে সাহায্য করে, তেমনই এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগও কমবে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, তেজপাতার মধ্যে রয়েছে পিনেনে ও সাইনিয়ল নামে দুটি উপাদান। রয়েছে তৈল উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে সাইকো-অ্যাকটিভ পদার্থ। পাশাপাশি, এতে রয়েছে জীবাণুনাশক, ডিওরেটিক, সিডেটিভ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

এটি মন-মেজাজকে ভাল করে, সঙ্গে তেজপাতা পাকস্থলীর ফ্লু নিরাময়েও সাহায্য করে। তেজপাতার তেল দিয়ে ম্যাসেজ করলে মাথাব্যথা কমে। বাংলাদেশে তেজপাতাকে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রান্নার স্বাদ বাড়াতে ও সুগন্ধ আনতে এর ব্যবহার করা হয়। ইউরোপীয় বিভিন্ন

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা তেজপাতাকে পবিত্র ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করতো। বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তেজপাতাকে অপরিহার্য বলে ধরা হয়।

দুধ কাঁচা খাবেন, না ফুটিয়ে? কোনটা ভালো? দু
ধ কি কাঁচা খাওয়া ভাল নাকি ফুটিয়ে খাওয়া ভাল? এ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলে থাকেন। নিজেদের আঙ্গিকে এটিকে ব্যাখ্যাও দিয়ে থাকেন। যে যা বলুক আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞরা কি বলেছেন। সরাসরি গোয়ালঘর বা খামার থেকে আসা কাঁচা দুধ না ফুটিয়ে খেতে কঠোরভাবেই নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ফলে কাঁচা দুধ অবশ্যই ফুটিয়ে খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের

মতে, কাঁচা দুধে অনেকরকম রোগজীবাণু বাসা বাঁধে। সরাসরি খামার থেকে আনা দুধ খেলে সেই জীবাণু শরীরের নানা ক্ষতি করতে পারে। দুধ ফোটালে উচ্চ তাপমাত্রায় সেই সব জীবাণু মরে যায়। এখন আমরা যে প্যাকেটের দুধ কিনি, তা পাস্তুরাইজড। পানীয় জীবাণুমুক্ত এবং সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম পাস্তুরাইজেশন। বিশেষ পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় পাস্তরাইজেশন করা হয়। প্যাকেটের দুধও ফুটিয়ে খাওয়াই ভাল, এমনটাও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পাস্তরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ একশ’ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া মুক্ত করা সম্ভব হয় না।

Check Also

যে ১০ লক্ষণ দেখা দিলে দ্রু’ত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাবেন

যে ১০ লক্ষণ দেখা দিলে দ্রু’ত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাবেন – ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার পর দেরিতে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x