Home / লাইফ-স্টাইল / কাঁচা আমের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাঁচা আমের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাঁচা আমের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা- এখন আমের মৌসুম। ফলে প্রচুর কাঁচা আম পাওয়া যায়। নানাভাবে খাওয়া যায় কাঁচা আম। কখনো তরকারির সঙ্গে দিয়ে, কখনো আচার বানিয়ে আবার কখনো ডালের সঙ্গে মিশিয়ে কাঁচা আম খাওয়ার প্রচলন রয়েছে আমাদের দেশে।

পাশাপাশি কাঁচা আমের ভর্তা একটি মজাদার খাবার। ঝাল-টক সেই আম ভর্তার কথা মনে হতেই জিহ্বায় পানি এসে যায়। তবে শুধু মুখের স্বাদের জন্যই কাঁচা আম খাওয়া নয়। এর রয়েছে স্বাস্থ্য উপকারিতাও। দেড়ি কেন চলুন তবে জেনে নেই কাঁচা আমের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারের কথা।

১. ভিটামিন সি ও এ’র অভাব পূরণ
কাঁচা আমের পুরোটাই সি ও এ ভিটামিনে ভরপুর। এ দুটো ভিটামিনই শরীরের ক্যালসিয়ামের ঘাটটি পূরণ করতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শিশুদের নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়ালে হাড়ের গঠন শক্ত হয়। কাঁচা আমে থাকা পুষ্টি উপাদান আমাদের দেহকে ইনফ্লামেশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। রক্তের যেকোনো অসুখ সারিয়ে তুলতে কাঁচা আমের তুলনা নেই। তাছাড়া শরীরের নতুন রক্ত কণিকা তৈরিতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে কাঁচা আম।

২. পেটের সমস্যায় জাদুর মতো কাজ করে
কাঁচা আম গরমের সময় বেশি পাওয়া যায়। আর গরম এলে অনেকেরই পেটে গণ্ডগোল বাঁধে। ডায়রিয়া, আমাশয় এবং অন্ত্রের যেকোনো সমস্যায় কাঁচা আম জাদুর মতো কাজ করে। কাঁচা আমের আরেকটি বড় উপকার হলো- এটি বদহজমের বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে কাঁচা আমের জুড়ি নেই।

৩. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
নিয়মিত কাঁচা আম খেলে শরীরে থাকা ক্যান্সারকোষগুলো জমাট বেঁধে বিপদের কারণ হতে পারে না। বিশেষ করে ব্লাডক্যান্সার প্রতিরোধে কাঁচা আম বেশ কার্যকর পথ্য মনে করা হয়। কাঁচা আমে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিটেন্ড যেকোনো ক্যান্সারের বিরুদ্ধেই জোড়ালো লড়াই করে থাকে। কাঁচা আম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৪. ঘাম ও ঘামাচির সমাধান
গরমে ঘাম ও ঘামাচি নিয়ে অনেকেই মহা ঝামেলায় পড়েন। এ ক্ষেত্রে জাদুকরী সমাধান হতে পারে কাঁচা আম। কাঁচা আমে এমন কিছু উপাদান আছে, যা দেহকে অতিরিক্ত ঘামতে দেয় না। এমনকি ঘামাচিও কমিয়ে ফেলে অবিশ্বাস্যভাবে। অতিরিক্ত ঘামের কারণে দেহ থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও আয়োডিন বেরিয়ে যায়। কাঁচা আম খেলে এ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. মানসিক অবসাদ দূর করে
কাঁচা আম মানসিক অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। বিশেষ করে কাজের সময় ঝিমুনি বা তন্দ্রাভাব আসলে তখন যদি কিছুটা কাঁচা আম মুখে দেয়া যায় তাহলে দেহমন সতেজ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। এ ছাড়াও মুখের অসুখ, মাড়ির সমস্যা এবং চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে কাঁচা আম ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

About By Moni Sen

Check Also

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন.. রইল আসল নোট চেনার উপায়

১০০ টাকার নোট আসল কিনা কীভাবে বুঝবেন.. রইল আসল নোট চেনার উপায় – ২০১৮ তে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x