Tuesday , June 22 2021
Home / উদ্যেক্তা / কর্মসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক বেকার পাবে ২ লক্ষ করে টাকা

কর্মসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক বেকার পাবে ২ লক্ষ করে টাকা

কর্মসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক বেকার পাবে ২ লক্ষ করে টাকা – করো’না আবহের জেরে কর্মচ্যুত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। দেশ জুড়ে লক ডাউনের ফলে বহু সংস্থা কর্মী ছাঁটাইকে বেছে নিয়েছে নিজদের সংস্থার আ’ত্মর’ক্ষার উপায় করতে। আর তার ফলে দেশ জুড়ে লাফিয়ে

লাফিয়ে বেড়ে গিয়েছে বেকারত্বের সংখ্যা। সেই কাজ হারানো মানুষদের মধ্যে রয়েছেন অনেক উচ্চ শিক্ষিত যুবক যুবতীও। তাদের এবার কাজের পথকে প্রশস্ত করতে পশ্চিমব’ঙ্গ রাজ্য সরকার নতুন স্কিম চালু করেছে। বাংলার যুবক যুবতীরা যাতে নিজেদের মতো করে ব্যবসা শুরু করতে পারে তার জন্য লোনের মাধ্যমে সাহায্য করবে পশ্চিমব’ঙ্গ সরকার। আর এই প্রকল্পের নাম ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে

বাংলার যুবক যুবতীদের দেওয়া হবে সরকারি লোন। সেই অর্থ দিয়ে তারা ব্যবসা করতে পারবে৷ তবে এই লোন পেতে গেলে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যা থাকলে আপনি পেয়ে যাব’েন রাজ্য সরকারের তরফে লোন। জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বন্দোবস্ত করেছে। প্রতি বছর এই প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ যুবক যুবতীকে সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য যারা

আবেদন করবেন তাদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ‘হতে হবে। আবেদনকারীকে অষ্টম শ্রেণী পাশ করতে হবে। থাকতে হবে সমস্ত বৈধ নথিপত্র। ‘কর্মসাথী’ প্রকল্পের জন্য যে যে সার্টিফিকেট লাগবে সে বি’ষয়ে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইট বলে দেওয়া হয়েছে। আবেদন করতে গেলে যা লাগবে- ‘শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ। ‘পরিচয়ের প্রমাণ (ছবি সহ)। ‘বয়সের উপযুক্ত প্রমাণপত্র। ‘স্থায়ী বাসিন্দার সার্টিফিকেট।

‘এসসি/এসটি/ওবিসি/সংখ্যালঘু/বিশেষ ভাবে সক্ষম আবেদনকারীদের জন্য সংশ্লিষ্ট শংসা’পত্র। ‘প্রকল্পের রিপোর্ট। এছাড়া পশ্চিমব’ঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফে ভর্তুকি ও লোন দেওয়ার পাশাপাশি একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে আবেদনকারীকেই নিজস্ব মূলধন হিসেবে প্রকল্প মূল্যের ৫ থেকে ১০ শতাংশ টাকা জোগাড় করতে হবে। ‘৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রকল্পের

জন্য আবেদনকারীকে ৫ শতাংশ অর্থ সংস্থান করতে হবে। ‘প্রকল্পের জন্য ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আবেদনকারীকে ১০ শতাংশ টাকা জোগাড় করতে হবে। ‘তফসিলি জাতি-উপজাতি, মহিলা ও সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের জন্য ৫ শতাংশ অংশীদারত্ব থাকবে। তবে সেই ভর্তুকি কত হবে সে বি’ষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। তা হল- ‘সুদ সঠিক সময় পরিশোধ করলে উদ্যোগী

মোট সুদের ৫০ শতাংশ ফেরত পাবেন। এটি অফলাইনে আবেদন করতে গেলে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ক্ষেত্রে বিডিও ও পুরসভা এলাকার ক্ষেত্রে এসডিও এর কাছে যেতে হবে। ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকল্পের মূল্যের ১৫ শতাংশ অর্থ প্রথমেই ভর্তুকি হিসেবে দেবে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতর। এছাড়া বাকি ৭৫ বা ৮০ শতাংশ অর্থ কম সুদে দেবে রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্ক।

About Moni Sen

Check Also

বিদেশি চাকরি ছেড়ে গরুর খামারেই বছরে আয় ৪৪ কোটি

বিদেশি চাকরি ছেড়ে গরুর খামারেই বছরে আয় ৪৪ কোটি

বিদেশি চাকরি ছেড়ে গরুর খামারেই বছরে আয় ৪৪ কোটি- ভারতের আইআইটি খড়গপুর থেকে পাস করা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *