Friday , June 25 2021
Home / স্বাস্থ্য / করোন ভাইরাস জ্বর ও সাধারণ জ্বরের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন… রইল চিকিৎসকদের পরামর্শ

করোন ভাইরাস জ্বর ও সাধারণ জ্বরের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন… রইল চিকিৎসকদের পরামর্শ

করোন ভাইরাস জ্বর ও সাধারণ জ্বরের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন… রইল চিকিৎসকদের পরামর্শ– দিন দিন ভয়াবহ থেকে ক্রমশ অতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস। এই ভাই”রাস নিয়ে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত। অপরদিকে ঋতু পরিবর্তনের কারণে জ্বর-কাশি প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ফলে এই সংক্রমণকে অনেকে করোনার সঙ্গে গুলিয়ে বাঁধাচ্ছেন বিপত্তি। তাই করোনা সংক্রমণ আর সাধারণ জ্বর এই দুটোর মধ্যে

পার্থক্য করবেন কী করে- সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিল গুরতু। তিনি বলেছেন, করোনা আক্রান্ত হলে প্রথম ১০ দিনে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর থাকবে। কারণ এই ভাইরাসের প্রকোপ মানব দেহে ১০ দিন জারি থাকে। আর সঙ্গে শুকনো কাশি। ওই চিকিৎসক আরও বলেছেন, যেটা ভাইরাল জ্বর বা সাধারণ জ্বর (ফ্লু), অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তনের জেরে হয়ে থাকে, সেটায় জ্বরের সঙ্গে সর্দি,

নাক বন্ধ, গলা খুশখুশ হয়। কিন্তু করোনাতে নাক বন্ধ কিংবা সর্দির লক্ষ্মণ দেখা যায় ন। এই ভাইরাস সোজা শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে, তাই শুকনো কাশির সঙ্গে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর শরীরকে দুর্বল করে তোলে। মাংস রাধুন এই উপায়ে, তবেই ধ্বংস হবে করোনাভাইরাস করোনা আতঙ্ক এখন রান্নাঘরেও ঢুকে পড়েছে! আর তাইতো প্রাণীজ আমিষ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন বাঙালিরা। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস এখনো প্রভাব না

ফেললেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে কিন্তু ভাইরাসটির বিস্তার ঘটছে। করোনার ভয়ে ভারতীয় বহু রান্নাঘর থেকে বাদ পড়েছে মাছ-মাংস। অনেকেরই ধারণা, এই ভাইরাস (কোভিড-১৯) হয়তো মাছ-মাংসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে শরীরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কেউই মাংস খেতে নিষেধ করেননি। শুধু জানিয়েছেন কিছু বিশেষ নিয়মের কথা। আরো জানানো হয়েছে, ফ্রিজেও বেঁচে থাকে এই ভাইরাস। তাই

মাংস কেনা, রান্না ও ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখার বিষয়ে সচেতন থাকলেই এড়ানো যাবে করোনা। এই কোভিড-১৯-এর হানা থেকে বাঁচতে কোন নিয়মে মাংস খাবেন তা জেনে নিন- ১। মাংস কেনার পূর্বে ভালো করে লক্ষ্য করুন তা টাটকা আছে কি না। বাসি মাংস মানেই যে করোনার ভয় থাকবে, তা একেবারেই নয়। তবে বাসি মাংস থেকে অন্য সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এছাড়াও যে মাংস কিনছেন, সেই পশু বা

পাখিটির আগেই মৃত্যু হলে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সেটা জানার উপায় থাকে না। তাই পশু জবাইয়ের সময় বা তাজা মাংস কাটার সময় সামনে উপস্থিত থাকুন। ২। প্রিজারভেটিভ মেশানো বা টিনবন্ধ ও প্যাকেটজাত করা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বার্গার, পিৎজা বা চিকেনে যেসব মাংস ব্যবহার করা হয়, তার অধিকাংশই প্যাকেটজাত কিংবা প্রিজারভেটিভ মেশানো। এসব এড়িয়ে চলুন। ৩। বাজার থেকে

মাংস নিয়ে আসার পর তা সামান্য গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে ধুয়ে নিন। এতে করে মাংসের গায়ে থাকা রোগজীবাণু অনেকটাই ধুয়ে যায়। ৪। রান্নার সময় লক্ষ্য রাখুন মাংস যেন সিদ্ধ হয়। বাঙালিরা যে তাপমাত্রায় মাংস রান্না করেন তাতে কোনো ভাইরাসই বেঁচে থাকে না। তাই মাংস যদি সুসিদ্ধ হয় তবেই নিশ্চিন্ত হয়ে তা খেতে পারেন। ৫। যেহেতু ফ্রিজেও বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাসটি তাই ফ্রিজ পরিষ্কার রাখুন। মাংসসহ যে কোনো খাবার ফ্রিজ থেকে বের করার কিছুক্ষণ পর ভালো করে গরম করে খেলে আর ভয় থাকবে না।

About Moni Sen

Check Also

আপনি যদি আম পছন্দ করেন তাহলে এটা জানা খুবই জরুরী, অসতর্ক থাকলে বড় সমস্যা হতে পারে

আপনি যদি আম পছন্দ করেন তাহলে এটা জানা খুবই জরুরী, অসতর্ক থাকেন তবে বড় সমস্যা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *