Home / স্বাস্থ্য / কবজি’র ব্যাথায় রইল সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি
image: google

কবজি’র ব্যাথায় রইল সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি

কবজির ব্যাথা খুব সাধার’ণ একটি সমস্যা হলেও এই ব্যাথায় অনেকে কারত পড়ে যানন। এ ব্যাথাটি সাধারণত বৃদ্ধা আঙ্গুল এর দিক থেকে শুরু হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে বলা হলা হয় ডি কোভাইন ডিজিজ।

হঠাৎ করে কারো কবজি ব্যাথা শুরু হতে পারে। তবে ক্রীড়াবি’দদের কবজিতে ব্যাতা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত বোলিং, গলফ, টেবিল টেনিস খেলে থাকেন তাদের এ রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আবার অনেক সময় অতিরিক্ত চাপ পড়ে ও ব্যথা হওয়ারও ঝুঁকি থাকে। যেমন: চুল কাটা, সেলাইয়ের কাজ হতে। এছাড়াও স্থুলতা, বাতজ্বর, গেঁটেবাত ও গর্ভধারণের কারনেও কবজিতে ব্যাথা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় অনেক সময়।

সাধারণত কবজিতে ব্যাথা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবে হাত নাড়াতে অসুবিধা হয়। খেলোয়ার, ওয়েট লিফটারদের কবজিতে অধিক চাপ পড়ে । কবজিতে ব্যাথা হলে যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তা হলো:

১। হাতের কবজিতে ব্যাতা অনুভব হওয়া ২। বৃদ্ধাঙ্গুলের চারদিকে কবজি কিছুটা ফুলে যাওয়া। ৩। কবজিতে চাপ দিলে বা ধরলে ব্যাথা বৃদ্ধি পায়। ৪। অনেক সময় হাত মুঠি করলে ব্যাথা বাড়ে। ৫। চায়ের কাপ বা পানির গ্লাস তোলাও কষ্টকর হয়ে যায়।

কোন প্রকার সুনিদৃষ্ঠ কারণ ছাড়াই কবজিতে ব্যাথা হতে পারে। অনেকে ধারণা করে থাকেন যে, কবজির হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যবহার হতে ব্যাথা হতে পারে। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর কোন ব্যাখ্যা নেই। কর্মক্ষেত্র হতেও এ ব্যাথা হতে পারে। কবজির ব্যাথায় পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। তবে বিশেষভাবে গর্ভধারণের আগে ও পরে বেশি লক্ষণ প্রকাশ পায়। এছাড়াও হরমোন পরির্বতন, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণেও হতে পারে।

কবজির ব্যাথায় চিকিৎসা:
১। কবিজির ব্যাথায় প্রথম দিকে ব্যাথার ওষুধ সেবন করতে বলা হয়। এত কিছুটা ব্যাথা উপশম হয়। ব্যাথার ওষুধের পাশাপাশি রোগীর আক্রান্ত কবজিতে কিছুদিন স্প্লিন্ট ব্যবহার করে হালকা কুসুম গরম পানির সেঁক দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

২। যদি এতে ব্যাথা উপশম না হয় তাহলে ফোলা স্থানে স্টেরয়েড ইনজেকমন দেওয়া যেতে পারে। এই ইনজেকশনের মাধ্যমে ব্যাথা সেরে যায়। তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে ইনজেকশন নিবেন।

৩। উপর্যুক্ত সব চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যম প্রয়োগের পরও যদি কবজির ব্যাথা উপশম না হয় তাহলে তাহলে সর্বাধুনিক চিকিৎসা হিসেবে অপারেশন করাই উত্তম। এত শতভাগ সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। বি.দ্র. চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত কোন পদক্ষেপ নিবেন না।

Check Also

এই 2 টি ফল ভুলেও একসাথে খাবেন না! সন্তান হিজড়া হয়ে জন্মাবে

এই দুটি ফল ভুলেও একসাথে খাবেন না! সন্তান হিজড়া হয়ে জন্মাবে – হিজড়া কারা? সাধারণত ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!