Thursday , October 29 2020
Home / স্বাস্থ্য / এই এক পাতার রসে ১০টি জটিল রোগের খেল খতম! এই পাতা সর্ম্পকে জেনে রাখুন
Image: google

এই এক পাতার রসে ১০টি জটিল রোগের খেল খতম! এই পাতা সর্ম্পকে জেনে রাখুন

এই এক পাতার রসে ১০টি জটিল রোগের- যারা বিশেষ করে গ্রামে বসবাস করেন তাদের খুব ভালো করে এই পাতাটি চেনা থাকার কথা। ছোট প্রায় গোলাকৃতি এই পাতার নাম থানকুনি পাতা। অতি পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। গ্রামে আদিকাল হতে থাকুনির পাতা চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে সুনামের সাথে।

এই থানকুনি পাতার মধ্যে রয়েছে বিষ্ময়কর সব ওষুধিগুণ। যার কারণে থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। এলাকাভেদে একেক এলাকায় এর নাম একেক রকম- অনেকে থানকুনি পাতাকে আমদানি পাতা, তিতুরা, মানকি, আদাগুণগুণি. ঢোলামনি. মানামানি, ধূলাবেগুণ ইত্যাদি নামে ডাকা হয়।

একাধিক গবেষনায় প্রমাণিত যে, যদি কেউ নিয়মিত থানকুনি পাতার রস খান তাহলে মাথার চুল হতে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কার্যক্ষমতা দ্বিগুন বেড়ে যায়। তাই গ্রামঞ্চলে এই পাতা মহৌষধি হিসেবে চিহ্নিতে এবং এর কদরও অনেক বেমি গ্রামে।

যদি আপনার আমাশয় রোগ থাকে তাহলে প্রতিদিন সকারে খালি পেটে নিয়ম করে টানা ৭ দিন থানকুনি পাতার রস খান দেখবেন আমাশায় উধাও হয়ে গেছে। পেটের যে কোন সমস্যায় অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সাথে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মত থানকুনি পাতা ভালো করে মিশিয়ে বেটে নিবেন। এই মিশ্রণ টানা কয়েকদিন খেলে যে কোন রকমের পেটের সমস্যা দূর হবে।

যদি আপনার কাশির সমস্যা থাকে তাহলে ২ চামচ থানকুনির পাতার রসের সাথে অল্প পরিমাণ চিনি মিশিয়ে খেলে কাশি কমে দূর হয়ে যাবে। তবে চেষ্টা করবেন প্রতি সপ্তাহে ১ দিন এই পাতার রস খাওয়ার। তাহলে কোন রোগ বাসা বাঁধার সুযোগ পাবে না।

জ্বরের প্রকোপ কমাতে থানকুনির পাতা অনেক উপকারি ভেষজ ওষুধ। জ্বরের সময় ১ চমচ থানকুনি এবং ১ চমচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে খুব অল্প সময়ে জ্বর ভালো হয়ে যাবে।

চুল পড়া সমস্যা রোধ করতে থানকুনি পাতার তুলনা হয় না। প্রতি সপ্তাহে ২ হতে ৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কারের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। পরিমাণ মত থানকুনি পাতা তা বেটে নিতে হবে। এবার এই বাটা থানকুনি পাতার সাথে পরিমাণ মত তুলসি এবং আমলা মিশিয়ে পেস্ট করে নিয়ে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। চুল পড়ার সমস্যা এখানে খতম।

রোজকার বাজে অভ্যাসের কারণে আমাদের রক্তে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত পদার্থ যুক্ত হয়। থানকুনির পাতা শরীর হতে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দিতে সক্ষম। রোজ এই পাতার সাথে ২ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত সকল বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে যাবে।

থানকুনির পাতা হজম শক্তির উন্নতিতে যথাযথ কাজ করে থাকে। থানকুনির পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি রাসায়নিক উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে ঠিক থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখে। ফলে হজমের কোন সমস্যা দেখা যায় না।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে এই পাতার জুড়ি মেলা ভার। এই পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের ভিতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে এবং ত্বকের বলি রেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Check Also

কোষ্ঠকাঠিন্যের মহৌষধ ডুমুরের রস!

কোষ্ঠকাঠিন্যের মহৌষধ ডুমুরের রস! – যে নিয়মে খেতে হবে- আমাদের দেশে গ্রামে পথের ধারে ডুমুরের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
error: Content is protected !!