Thursday , May 13 2021
Home / সংবাদ / আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা যদি থাকে পুরনো ১ টাকার কয়েন!

আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা যদি থাকে পুরনো ১ টাকার কয়েন!

আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা যদি থাকে পুরনো ১ টাকার কয়েন! – এখনকার দিনে আত্মনিভর হতে কেই না চায়। নিজে ব্যাবসা করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সকলেরই মন চায়। ছেলে হোক বা মেয়ে সকলেরই আত্মনিভর হতে চায়।কিন্তু সবসময় তো সাধ থাকলেই সাধ্য থাকে

না।আর তাই নিজের ইচ্ছে স্বপ্ন থাকা সত্ত্বেও কখনও পিছিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আজ আপনাকে এমন একটা কথা বলবো যার ফলে আপনি আপনার স্বপ্ন বলুন বা শখ সবই পূরণ করতে পারবেন এক নিমেষে। এমনকি কোটিপতি ও হতে পারবেন আপনি।তবে, তার জন্য আপনার

কাছে থাকতে হবে ১টাকার কয়েন। কিন্তু,এ কয়েন যে সে কয়েন নয়।১৯৮৫ সালের আগের কয়েন যদি থাকে আপনার কাছে তবে সেটা বিক্রি করে হতে পারবেন কোটিপতি। OLX এ গিয়ে নিজের নাম রেজিস্টার করে কয়েনটিকে বিক্রি করতে পারবেন। তাহলে, যাদের পুরোনো এন্টিক

কয়েন জমানোর শখ রয়েছে তাঁরা আর দেরি না করে এক্ষুনি এই সুবর্ণ সুযোগ হাতে তুলে নিন। পেয়ে যান ৯.৯৯ কোটি টাকা। আর নিমেষেই হয়ে যান কোটিপতি। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আপনি নিলামে তুলতে পারবেন পুরোনো নোট ও কয়েন।

টয়লেটে বসবাস করছেন স্বামী-স্ত্রী
ফরিদপুরের বোয়ালমারী বাজারের টিনপট্টি এলাকায় গণশৌচাগারই এই দম্পতির ঘরবাড়ি। শৈশবে মা- বাবাকে হারিয়ে বোনের সাথে বোয়ালমারী আসে শাহাদাত।প্রথমে টোকাই হিসেবে কাগজ কুড়িয়ে, মুটের কাজ করে কখনওবা সুইপারের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছে শাহাদত। তারপর পৌরমেয়র মোজাফফর হোসেনের বদান্যতায় শহর পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে মাস্টার রোলে কাজ ও হেলিপ্যাড এলাকায় থাকার জন্য একটি

ছোট্ট ছাপরা ঘর পেলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় স্বামী-স্ত্রী বসবাস শুরু করেন এই গণশৌচাগারে। শাহাদত বলেন, ‘আমার পিতার বাড়ি মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার পাচুড়িয়ায়। জন্মের সময় মার মৃত্যু হয় আর ৬ বছর বয়সে বাবা কে হারিয়ে চলে আসি বোয়ালমারীতে। পৈতৃক সম্পদ বলে কিছু ছিল না।দারিদ্র্যতার কষাঘাতে এবং জীবিকার তাগিদে শৈশব থেকে কাগজ

কুড়িয়ে, টুকটাক কাজ করে জীবন চালিয়ে নিচ্ছি কোনো মতে, জমি ঘরবাড়ি দূরে থাক নিয়তি ভাড়া বাড়িতেও থাকার ভাগ্য লেখেনি। আবার অনেকে সুইপারের কাজ করি বলে বাড়ি ভাড়াও দেয় না। বোয়ালমারীর পৌরমেয়র মোজাফফর হোসেন বাবলু মিয়া মাস্টার রুলে দৈনিক ১৬০টাকা বেতনে বাজার ঝাড়ুদারের চাকরি দিয়েছেন এবং বোয়ালমারী হ্যালিপ্যাডে সরকারি জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করেন।কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যদের জায়গা না হওয়ায় আমি ও আমার স্ত্রী পাবলিক টয়লেটকে নিজেদের বাসস্থান বানিয়ে নিয়েছি। এখন বয়স হয়েছে রোগবালাইয়ের

জন্য ঠিক মত কাজও করতে পারিনা।’ শাহাদাত এর স্ত্রী নার্গিস বলেন, ‘দৈনিক বাজার ঝাড়ুর কাজ করার পর মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তাই খাই। আবার কিনেও খাবার খাই। অনেক সময় না খেয়েও দিনযাপন করি।সরকার ঘর দিচ্ছে তা আমরা জানি না, কেউ বলেও নাই। যদি সরকার আমাদেরকে একটা ঘর দিতো জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে থাকতাম।’ নার্গিস আরও বলেন , ‘অনেকেই আসে খোঁজখবর নিয়ে যায়, কিন্তু আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। আমাদের একশতাংশ জমিও নাই যে সেখানে একটা ঘর করে থাকব।

About Moni Sen

Check Also

কলকাতা সহ রাজ্যের ৭ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ ও প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস

কলকাতা সহ রাজ্যের ৭ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ ও প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস

কলকাতাসহ রাজ্যের ৭ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ ও প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস – ৭জেলায় বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x